কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন, ২০২৬) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েতুল কবির এ নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহম্মেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক জানান, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তারা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, এই দুই জনসহ আলোচিত পীর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন আসামি কারাগারে রয়েছেন।
চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগ তুলে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় পীর শামীম জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের ওপর চালানো হয় হামলা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে পীর শামীম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন, যাতে প্রধান আসামি হিসেবে খাজা আহম্মেদকে উল্লেখ করা হয়।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন, ২০২৬) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েতুল কবির এ নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহম্মেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক জানান, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তারা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, এই দুই জনসহ আলোচিত পীর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন আসামি কারাগারে রয়েছেন।
চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগ তুলে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় পীর শামীম জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের ওপর চালানো হয় হামলা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে পীর শামীম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন, যাতে প্রধান আসামি হিসেবে খাজা আহম্মেদকে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন