গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন, ২০২৬) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ জাবের আহমেদের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, উপজেলার ৪ নম্বর বরিশাল ইউনিয়নে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষের জের ধরে তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে পলাশবাড়ী চৌমাথা ও এর আশপাশের ৫০০ মিটার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই সময়ে ওই এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, লাঠি বা আগ্নেয়াস্ত্র বহন, মিছিল ও শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার জুনদহ এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে উভয় দলই বিক্ষোভ ও সমাবেশের ডাক দেয়। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন, ২০২৬) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ জাবের আহমেদের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, উপজেলার ৪ নম্বর বরিশাল ইউনিয়নে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষের জের ধরে তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে পলাশবাড়ী চৌমাথা ও এর আশপাশের ৫০০ মিটার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই সময়ে ওই এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, লাঠি বা আগ্নেয়াস্ত্র বহন, মিছিল ও শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার জুনদহ এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে উভয় দলই বিক্ষোভ ও সমাবেশের ডাক দেয়। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন