কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকার মেঘনা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মেঘনা নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর মানুষের মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা দ্রুত বিষয়টি নৌ-পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে।
নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান জানান, মরদেহটি বেশ কয়েকদিন পানিতে থাকায় পচন ধরেছে এবং চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতের আনুমানিক বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ একে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে। পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যেই মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ হত্যার কারণ উদঘাটন ও অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকার মেঘনা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মেঘনা নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর মানুষের মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা দ্রুত বিষয়টি নৌ-পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে।
নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান জানান, মরদেহটি বেশ কয়েকদিন পানিতে থাকায় পচন ধরেছে এবং চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতের আনুমানিক বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ একে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে। পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যেই মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ হত্যার কারণ উদঘাটন ও অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন