পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলায় পুকুরে মাছ ধরতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় আতাইকুলা ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া উত্তরপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার কৈজুরী শ্রীপুর এলাকার সাদেক আলী প্রামানিকের ছেলে শবদুল প্রামানিক (৩৫) এবং তার স্ত্রী আশা খাতুন (২৫)। আশা খাতুন কুচিয়ামোড়া উত্তরপাড়া গ্রামের চৌকিদার আবুল হোসেনের মেয়ে। এছাড়া আহত ব্যক্তির নাম আলম মোল্লা (৩০), যিনি সম্পর্কে আশা খাতুনের ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শবদুল প্রামানিক কিছুদিন আগে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে শ্বশুরের পুকুর সেচ দিয়ে মাছ ধরার সময় হঠাৎ পানি উত্তোলনের মেশিন ও বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পুকুরে পড়ে যায়। এতে পুরো পুকুরের পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে।
পানিতে থাকা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে বাড়ির লোকজন দ্রুত মেইন সুইচ বন্ধ করে তাদের উদ্ধার করে। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। আহত আলম মোল্লাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলায় পুকুরে মাছ ধরতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় আতাইকুলা ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া উত্তরপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার কৈজুরী শ্রীপুর এলাকার সাদেক আলী প্রামানিকের ছেলে শবদুল প্রামানিক (৩৫) এবং তার স্ত্রী আশা খাতুন (২৫)। আশা খাতুন কুচিয়ামোড়া উত্তরপাড়া গ্রামের চৌকিদার আবুল হোসেনের মেয়ে। এছাড়া আহত ব্যক্তির নাম আলম মোল্লা (৩০), যিনি সম্পর্কে আশা খাতুনের ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শবদুল প্রামানিক কিছুদিন আগে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার বিকেলে শ্বশুরের পুকুর সেচ দিয়ে মাছ ধরার সময় হঠাৎ পানি উত্তোলনের মেশিন ও বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পুকুরে পড়ে যায়। এতে পুরো পুকুরের পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে।
পানিতে থাকা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে বাড়ির লোকজন দ্রুত মেইন সুইচ বন্ধ করে তাদের উদ্ধার করে। পরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। আহত আলম মোল্লাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন