কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ (শূন্যরেখা) থেকে রোকেয়া বেগম (৫০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত রোকেয়া বেগম গুচ্ছগ্রামের মৃত আলী আশরাফের স্ত্রী।
মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করার পাশাপাশি ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা মিলে তাঁকে ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পর রাত ১০টার দিকে ভারতীয় সীমান্তবর্তী গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন শূন্যরেখা এলাকায় তাঁর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে স্থানীয়দের খবরে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে ওই নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে রোকেয়া বেগমের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ (শূন্যরেখা) থেকে রোকেয়া বেগম (৫০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত রোকেয়া বেগম গুচ্ছগ্রামের মৃত আলী আশরাফের স্ত্রী।
মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তিনি আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করার পাশাপাশি ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা মিলে তাঁকে ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পর রাত ১০টার দিকে ভারতীয় সীমান্তবর্তী গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন শূন্যরেখা এলাকায় তাঁর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে স্থানীয়দের খবরে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে ওই নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে রোকেয়া বেগমের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন