নজর বিডি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

যমুনা নদীতে ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি-ফসলি জমি

যমুনা নদীতে ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি-ফসলি জমি

পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত এক মাসে কল্যাণপুর চর এলাকায় অন্তত ২০০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, স্থানীয় একটি জামে মসজিদ ও একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) তীব্র ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনকবলিত স্থান থেকে সাবস্টেশনের সাবমেরিন ক্যাবল মাত্র ৫০ ফুট দূরে রয়েছে। এটি বিলীন হলে পুরো চরের হাজারো মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, গত এক মাসে অনেকেরই আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় তারা এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বলেন, "ফসল হারানো কৃষকদের পাশাপাশি মসজিদ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। জরুরিভিত্তিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যাবে।"

এদিকে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বেড়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভাঙন রোধে প্রায় ১২ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ যমুনা নদী, নদীভাঙন, পাবনা, বেড়া, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, জিওব্যাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কৃষি জমি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যমুনা নদীতে ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি-ফসলি জমি

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত এক মাসে কল্যাণপুর চর এলাকায় অন্তত ২০০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, স্থানীয় একটি জামে মসজিদ ও একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) তীব্র ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনকবলিত স্থান থেকে সাবস্টেশনের সাবমেরিন ক্যাবল মাত্র ৫০ ফুট দূরে রয়েছে। এটি বিলীন হলে পুরো চরের হাজারো মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, গত এক মাসে অনেকেরই আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় তারা এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বলেন, "ফসল হারানো কৃষকদের পাশাপাশি মসজিদ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। জরুরিভিত্তিতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যাবে।"

এদিকে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বেড়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভাঙন রোধে প্রায় ১২ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত