নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

বিশেষ ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন, শনিবার পরীক্ষায় বসছে ১৮ শিক্ষার্থী

বিশেষ ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন, শনিবার পরীক্ষায় বসছে ১৮ শিক্ষার্থী

প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা বগুড়া ও নাটোরের দুই কলেজের ১৮ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে শিক্ষাবোর্ড তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে, যার ফলে শিক্ষার্থীরা শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ জন এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য স্ব-স্ব কলেজের কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারীর কাছে টাকা জমা দিয়েছিলেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা টাকা আত্মসাৎ করায় শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হয়নি এবং তারা প্রবেশপত্রও পাননি। এই জটিলতায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেনি।

নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি জানান, অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের কাছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিলেও তিনি তা বোর্ডে জমা দেননি। একইভাবে বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তিনি জানান, অকৃতকার্য হওয়ায় কিছু শিক্ষার্থীকে কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। অন্যদিকে, মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান জানান, কলেজে নগদ টাকা লেনদেনের কোনো নিয়ম নেই, তবুও বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অসাধু চক্রের প্রতারণার শিকার হওয়া এই শিক্ষার্থীদের আজ রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে শনিবার তারা পরীক্ষায় বসতে পারবে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ এইচএসসি পরীক্ষা, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড, ফরম পূরণ, প্রতারণা, বগুড়া, নাটোর, শিক্ষার্থী, পরীক্ষা, শিক্ষা প্রশাসন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিশেষ ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন, শনিবার পরীক্ষায় বসছে ১৮ শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা বগুড়া ও নাটোরের দুই কলেজের ১৮ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে শিক্ষাবোর্ড তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে, যার ফলে শিক্ষার্থীরা শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ জন এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য স্ব-স্ব কলেজের কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারীর কাছে টাকা জমা দিয়েছিলেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা টাকা আত্মসাৎ করায় শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হয়নি এবং তারা প্রবেশপত্রও পাননি। এই জটিলতায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেনি।

নাটোরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি জানান, অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের কাছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিলেও তিনি তা বোর্ডে জমা দেননি। একইভাবে বগুড়ার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুর রহমান অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তিনি জানান, অকৃতকার্য হওয়ায় কিছু শিক্ষার্থীকে কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। অন্যদিকে, মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান জানান, কলেজে নগদ টাকা লেনদেনের কোনো নিয়ম নেই, তবুও বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অসাধু চক্রের প্রতারণার শিকার হওয়া এই শিক্ষার্থীদের আজ রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে শনিবার তারা পরীক্ষায় বসতে পারবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত