পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নাশকতা সন্দেহে আটক যুবলীগ নেতা রিপন সরকারকে মুক্ত করার দাবিতে থানায় বিক্ষোভ করেছেন প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে পুলিশের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে গ্রামবাসীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি (তদন্ত) পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও বাজার নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে এক ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। গ্রামবাসী সরকারি জায়গায় নির্মিত ইউনুস সরকারের ঘর ভেঙে সেখানে পুনরায় বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড চালু করেন। এই বিরোধে গ্রামবাসীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ইউনুস সরকার থানায় মামলা করলে রিপন সরকারকে হয়রানিমূলকভাবে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
রিপন সরকারকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১১টার দিকে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী ভাঙ্গুড়া থানায় জড়ো হন। তারা রিপন সরকারকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানা চত্বর থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে ওসি সাকিউল আজম বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেন। পরে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধি দলের সাথে ওসির কক্ষে আলোচনার প্রেক্ষিতে রিপন সরকারকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কী কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আজম জানান, নাশকতার অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া এবং গ্রামবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নাশকতা সন্দেহে আটক যুবলীগ নেতা রিপন সরকারকে মুক্ত করার দাবিতে থানায় বিক্ষোভ করেছেন প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে পুলিশের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে গ্রামবাসীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি (তদন্ত) পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও বাজার নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে এক ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। গ্রামবাসী সরকারি জায়গায় নির্মিত ইউনুস সরকারের ঘর ভেঙে সেখানে পুনরায় বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড চালু করেন। এই বিরোধে গ্রামবাসীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ইউনুস সরকার থানায় মামলা করলে রিপন সরকারকে হয়রানিমূলকভাবে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
রিপন সরকারকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১১টার দিকে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী ভাঙ্গুড়া থানায় জড়ো হন। তারা রিপন সরকারকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানা চত্বর থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে ওসি সাকিউল আজম বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেন। পরে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধি দলের সাথে ওসির কক্ষে আলোচনার প্রেক্ষিতে রিপন সরকারকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কী কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আজম জানান, নাশকতার অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া এবং গ্রামবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন