বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের এক খণ্ডকালীন কর্মচারীর প্রতারণার শিকার ৬ শিক্ষার্থী অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের কারণে প্রথম দিন পরীক্ষা দিতে না পারলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ উদ্যোগে তারা প্রবেশপত্র হাতে পেয়েছে।
মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণের জন্য অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে প্রতারণা করেন কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন। টাকা নিয়েও তিনি ফরম পূরণ করেননি এবং পরে মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা গত বুধবার (১ জুলাই) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তৎপর হয়।
মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তারা শুক্রবার সকালেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় দ্রুত ওই ৬ শিক্ষার্থীর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
শনিবার (৪ জুলাই) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাসর, সম্রাট সরকার, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম, অমিত হাসান এবং সাব্বির হোসেন নামের এই ৬ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র পাওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে তাদের পরিবারে। এর মধ্যে তামিম ও অমিতের ইংরেজি পরীক্ষা থাকায় তারা শনিবার কেন্দ্রে না গেলেও বাকি চারজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে শিক্ষার্থী মইনুর ইসলাম বলেন, "মনে হচ্ছিল জীবনের একটি বছর হারিয়ে যাবে। কিন্তু স্যারদের প্রচেষ্টায় আবারও পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছি, এটি আমার জীবনের স্মরণীয় দিন।"
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী যেন এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়, সেজন্য কর্তৃপক্ষের সতর্ক নজরদারি কামনা করেছেন।
বর্তমানে অভিযুক্ত সেই কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের এক খণ্ডকালীন কর্মচারীর প্রতারণার শিকার ৬ শিক্ষার্থী অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের কারণে প্রথম দিন পরীক্ষা দিতে না পারলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ উদ্যোগে তারা প্রবেশপত্র হাতে পেয়েছে।
মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণের জন্য অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে প্রতারণা করেন কলেজের খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন। টাকা নিয়েও তিনি ফরম পূরণ করেননি এবং পরে মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা গত বুধবার (১ জুলাই) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তৎপর হয়।
মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তারা শুক্রবার সকালেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় দ্রুত ওই ৬ শিক্ষার্থীর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
শনিবার (৪ জুলাই) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাসর, সম্রাট সরকার, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম, অমিত হাসান এবং সাব্বির হোসেন নামের এই ৬ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র পাওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে তাদের পরিবারে। এর মধ্যে তামিম ও অমিতের ইংরেজি পরীক্ষা থাকায় তারা শনিবার কেন্দ্রে না গেলেও বাকি চারজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে শিক্ষার্থী মইনুর ইসলাম বলেন, "মনে হচ্ছিল জীবনের একটি বছর হারিয়ে যাবে। কিন্তু স্যারদের প্রচেষ্টায় আবারও পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছি, এটি আমার জীবনের স্মরণীয় দিন।"
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী যেন এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়, সেজন্য কর্তৃপক্ষের সতর্ক নজরদারি কামনা করেছেন।
বর্তমানে অভিযুক্ত সেই কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন