খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম সরেজমিন তদন্তে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় কাজের অদ্ভুত সব অসংগতি দেখে প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) ওপর তিনি চড়াও হন।
শনিবার (৪ জুলাই) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব দেখেন, সড়কের একপাশে স্লুইসগেটের ওপারে বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পিডি ভুল ব্যাখ্যা দিলে সচিব ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয় তোমার? তুমি এখান থেকে পানি বের হওয়ার রাস্তা তৈরি করেছ, আবার তার সামনে দিয়ে রেখেছ বাঁধ। এর মানেটা কী?”
২০১৩ সালে অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ১৩ বছরেও শেষ হয়নি। শুরুর ব্যয় ৯৮ কোটি টাকা থাকলেও বর্তমানে তা সংশোধনের নামে কয়েক গুণ বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। গত ৯ জুন একনেক সভায় দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি সড়কটি পরিদর্শন করেন।
তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং আইএমইডির সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, কাজের মান এবং কেন এটি এত বছরেও শেষ হয়নি তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
পরিদর্শন শেষে খুলনা সার্কিট হাউজে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, কেডিএ চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম সরেজমিন তদন্তে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় কাজের অদ্ভুত সব অসংগতি দেখে প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) ওপর তিনি চড়াও হন।
শনিবার (৪ জুলাই) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব দেখেন, সড়কের একপাশে স্লুইসগেটের ওপারে বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পিডি ভুল ব্যাখ্যা দিলে সচিব ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয় তোমার? তুমি এখান থেকে পানি বের হওয়ার রাস্তা তৈরি করেছ, আবার তার সামনে দিয়ে রেখেছ বাঁধ। এর মানেটা কী?”
২০১৩ সালে অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ১৩ বছরেও শেষ হয়নি। শুরুর ব্যয় ৯৮ কোটি টাকা থাকলেও বর্তমানে তা সংশোধনের নামে কয়েক গুণ বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। গত ৯ জুন একনেক সভায় দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি সড়কটি পরিদর্শন করেন।
তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং আইএমইডির সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, কাজের মান এবং কেন এটি এত বছরেও শেষ হয়নি তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
পরিদর্শন শেষে খুলনা সার্কিট হাউজে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, কেডিএ চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন