বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে অমানবিক পরিবেশে বন্দী থাকা ‘বাদশা বাহাদুর’ নামের একটি হাতি অবশেষে মুক্তি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে হাতিটিকে বগুড়া থেকে ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় সার্কাসে ব্যবহারের জন্য হাতিটিকে আটকে রাখা হয়েছিল। পর্যাপ্ত খাবার ও চিকিৎসার অভাবে হাতিটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অমানবিক পরিস্থিতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। তিনি হাতিটির সুরক্ষা ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। তার উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপে হাতিটির মালিক আব্দুর শুকুর স্বেচ্ছায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জিম্মায় হাতিটি হস্তান্তর করতে রাজি হন। শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাতিটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং রাতেই এটিকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঢাকার পথে পাঠানো হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, মালিকের সম্মতিক্রমে হাতিটিকে সরকারি জিম্মায় আনা হয়েছে। এখন জাতীয় চিড়িয়াখানায় তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মতলবুর রহমান জানান, প্রথমে সাফারি পার্কে রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উন্নত চিকিৎসা ও উপযুক্ত পরিবেশের জন্য সেটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় পাঠানো হচ্ছে।
দীর্ঘদিন অবহেলায় দিন কাটানো বাদশা বাহাদুর এখন থেকে নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে অমানবিক পরিবেশে বন্দী থাকা ‘বাদশা বাহাদুর’ নামের একটি হাতি অবশেষে মুক্তি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে হাতিটিকে বগুড়া থেকে ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় সার্কাসে ব্যবহারের জন্য হাতিটিকে আটকে রাখা হয়েছিল। পর্যাপ্ত খাবার ও চিকিৎসার অভাবে হাতিটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অমানবিক পরিস্থিতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। তিনি হাতিটির সুরক্ষা ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। তার উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপে হাতিটির মালিক আব্দুর শুকুর স্বেচ্ছায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জিম্মায় হাতিটি হস্তান্তর করতে রাজি হন। শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাতিটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং রাতেই এটিকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঢাকার পথে পাঠানো হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, মালিকের সম্মতিক্রমে হাতিটিকে সরকারি জিম্মায় আনা হয়েছে। এখন জাতীয় চিড়িয়াখানায় তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মতলবুর রহমান জানান, প্রথমে সাফারি পার্কে রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উন্নত চিকিৎসা ও উপযুক্ত পরিবেশের জন্য সেটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় পাঠানো হচ্ছে।
দীর্ঘদিন অবহেলায় দিন কাটানো বাদশা বাহাদুর এখন থেকে নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন