টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারী ও তার পরিবারকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার ১ নম্বর মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর।
শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ৫১ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর হাতে লাঠি নিয়ে কয়েকজনকে সাথে নিয়ে তেঘরী কেশব গ্রামে যান। সেখানে মাটির স্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে এক নারীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারীটি এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান প্রথমে গেঞ্জি পরা এক ব্যক্তিকে এবং পরবর্তীতে ওই নারী ও তার মেয়েকে লাঠি দিয়ে পেটান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন সকালে এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী বাসন্তী রানীর অভিযোগ, পৈতৃক জমির ওপর দিয়ে চেয়ারম্যান জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তারা বাধা দেন। এর জের ধরেই চেয়ারম্যান তাকে, তার স্বামী রামগোপাল সাহা ও মেয়ে পায়েলে সাহাকে মারধর করেন। বাসন্তী রানীর দাবি, রাস্তা নির্মাণের অযুহাতে চেয়ারম্যান তাদের জমি দখলের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, চেয়ারম্যানের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। এর আগেও তার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ রয়েছে।
মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর বলেন, ওই নারী রাস্তা নির্মাণে বাধা দিচ্ছিলেন। তাই তাদের ‘কঞ্চি দিয়ে পিটিয়েছি’।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব বলেন, “ভিডিও দেখে কাউকে স্পষ্টভাবে চেনার উপায় নেই। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মহেড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত ছিল।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারী ও তার পরিবারকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার ১ নম্বর মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর।
শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ৫১ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর হাতে লাঠি নিয়ে কয়েকজনকে সাথে নিয়ে তেঘরী কেশব গ্রামে যান। সেখানে মাটির স্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে এক নারীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারীটি এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান প্রথমে গেঞ্জি পরা এক ব্যক্তিকে এবং পরবর্তীতে ওই নারী ও তার মেয়েকে লাঠি দিয়ে পেটান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন সকালে এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী বাসন্তী রানীর অভিযোগ, পৈতৃক জমির ওপর দিয়ে চেয়ারম্যান জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তারা বাধা দেন। এর জের ধরেই চেয়ারম্যান তাকে, তার স্বামী রামগোপাল সাহা ও মেয়ে পায়েলে সাহাকে মারধর করেন। বাসন্তী রানীর দাবি, রাস্তা নির্মাণের অযুহাতে চেয়ারম্যান তাদের জমি দখলের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, চেয়ারম্যানের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। এর আগেও তার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ রয়েছে।
মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর বলেন, ওই নারী রাস্তা নির্মাণে বাধা দিচ্ছিলেন। তাই তাদের ‘কঞ্চি দিয়ে পিটিয়েছি’।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব বলেন, “ভিডিও দেখে কাউকে স্পষ্টভাবে চেনার উপায় নেই। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মহেড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত ছিল।

আপনার মতামত লিখুন