খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এবার আঁশফলের বাম্পার ফলন কৃষকদের অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করেছে। লিচুর মতো দেখতে অত্যন্ত মিষ্টি ও রসালো এই ফলের জনপ্রিয়তা বাড়ায় চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন, তেমনি চুকনগর ও ডুমুরিয়া সদরের পাইকারি হাটগুলোতেও নেমেছে উৎসবের আমেজ।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নেই এবার আঁশফলের ফলন সন্তোষজনক। ছোট আকারের বাগান থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত গাছের ফলনও এবার অনেক বেশি। আকার ও ফলনভেদে একটি গাছের পাইকারি মূল্য ১২০০ থেকে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন চাষিরা। ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে সরাসরি ফল কিনে ট্রাকযোগে দেশের বড় বড় আড়তে পাঠাচ্ছেন।
বাগানের সুরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে বাদুড়ের আক্রমণ। রুদাঘরা গ্রামের ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন জানান, রাতে বাদুড়ের হাত থেকে ফল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ায় এখন নেট দিয়ে গাছ ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ চাষিদের এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলের কদর বাড়ায় ডুমুরিয়ার কৃষকরা চলতি মৌসুমকে অত্যন্ত সফল ও লাভজনক বছর হিসেবে দেখছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এবার আঁশফলের বাম্পার ফলন কৃষকদের অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করেছে। লিচুর মতো দেখতে অত্যন্ত মিষ্টি ও রসালো এই ফলের জনপ্রিয়তা বাড়ায় চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন, তেমনি চুকনগর ও ডুমুরিয়া সদরের পাইকারি হাটগুলোতেও নেমেছে উৎসবের আমেজ।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নেই এবার আঁশফলের ফলন সন্তোষজনক। ছোট আকারের বাগান থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত গাছের ফলনও এবার অনেক বেশি। আকার ও ফলনভেদে একটি গাছের পাইকারি মূল্য ১২০০ থেকে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন চাষিরা। ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে সরাসরি ফল কিনে ট্রাকযোগে দেশের বড় বড় আড়তে পাঠাচ্ছেন।
বাগানের সুরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে বাদুড়ের আক্রমণ। রুদাঘরা গ্রামের ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন জানান, রাতে বাদুড়ের হাত থেকে ফল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ায় এখন নেট দিয়ে গাছ ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ চাষিদের এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলের কদর বাড়ায় ডুমুরিয়ার কৃষকরা চলতি মৌসুমকে অত্যন্ত সফল ও লাভজনক বছর হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন