নওগাঁর পত্নীতলা, ধামইরহাট ও সাপাহার উপজেলার সরকারি বনভূমি এখন প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যুদের দখলে। অবাধে গাছ কাটার পাশাপাশি সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিনে দেখা যায়, পত্নীতলার পাইকবান্দা বনবিট এলাকায় সরকারি জায়গায় গড়ে উঠেছে স্থায়ী আবাসন, যেখানে বৈদ্যুতিক সংযোগসহ পাকা বাড়িও তৈরি করা হয়েছে।
দখলদারদের দাবি, জায়গা সংকটের কারণে তারা এখানে আশ্রয় নিয়েছেন এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলে অর্থ দিয়ে তারা এই জমি দখল করেছেন। আবার অনেকে রেকর্ড সংশোধনের দাবি জানিয়ে বন বিভাগের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন।
বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় ৮০৯ একর বনভূমি বেদখল হয়ে আছে। অথচ লোকবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দায় সারা হচ্ছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে। পরিবেশকর্মীরা বলছেন, বন কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও অসাধু সখ্যতার কারণেই আজ বনভূমি উজাড় হওয়ার পথে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলা, ধামইরহাট ও সাপাহার উপজেলার সরকারি বনভূমি এখন প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যুদের দখলে। অবাধে গাছ কাটার পাশাপাশি সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিনে দেখা যায়, পত্নীতলার পাইকবান্দা বনবিট এলাকায় সরকারি জায়গায় গড়ে উঠেছে স্থায়ী আবাসন, যেখানে বৈদ্যুতিক সংযোগসহ পাকা বাড়িও তৈরি করা হয়েছে।
দখলদারদের দাবি, জায়গা সংকটের কারণে তারা এখানে আশ্রয় নিয়েছেন এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলে অর্থ দিয়ে তারা এই জমি দখল করেছেন। আবার অনেকে রেকর্ড সংশোধনের দাবি জানিয়ে বন বিভাগের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন।
বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় ৮০৯ একর বনভূমি বেদখল হয়ে আছে। অথচ লোকবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দায় সারা হচ্ছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে। পরিবেশকর্মীরা বলছেন, বন কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও অসাধু সখ্যতার কারণেই আজ বনভূমি উজাড় হওয়ার পথে।

আপনার মতামত লিখুন