বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এক রাইসমিল মালিককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে হত্যা করে তিনটি ট্রান্সফর্মার চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (৫ জুলাই) মধ্যরাত থেকে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৭টার মধ্যে উপজেলার ফেনিরগ্রাম ফুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী (৭০) ফেনিরগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার মৃত কছিরউদ্দীনের ছেলে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদ আলী রাতে নিজের রাইসমিলে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় একদল দুর্বৃত্ত মিলে প্রবেশ করে তাকে জিম্মি করে। পরে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্বৃত্তরা রাইসমিল থেকে তিনটি ট্রান্সফর্মার খুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি শাহীনুজ্জামান বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চুরির উদ্দেশ্যে এসে তারা হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। ঘটনায় কতজন জড়িত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।”
এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এক রাইসমিল মালিককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে হত্যা করে তিনটি ট্রান্সফর্মার চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার (৫ জুলাই) মধ্যরাত থেকে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৭টার মধ্যে উপজেলার ফেনিরগ্রাম ফুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী (৭০) ফেনিরগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার মৃত কছিরউদ্দীনের ছেলে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদ আলী রাতে নিজের রাইসমিলে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় একদল দুর্বৃত্ত মিলে প্রবেশ করে তাকে জিম্মি করে। পরে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্বৃত্তরা রাইসমিল থেকে তিনটি ট্রান্সফর্মার খুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি শাহীনুজ্জামান বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চুরির উদ্দেশ্যে এসে তারা হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। ঘটনায় কতজন জড়িত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।”
এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন