ময়মনসিংহ নগরের আর কে মিশন রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় রাজিব আহম্মেদ ওরফে রুবেল (৩৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বাড়িওয়ালাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) রাতে নিহতের বাবা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজিব প্রায় ১৫ দিন আগে আর কে মিশন রোডের ৩৬ বাড়ি কলোনির একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একা বসবাস করছিলেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ির মালিক পারুল বেগমের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বাড়িওয়ালা তাকে দ্রুত বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। রাজিব কিছু সময় চাইলেও বাড়িওয়ালা ও তার ছেলেরা তাকে নিয়মিত ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বাসা ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাড়িওয়ালা ও তার ছেলেদের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা রাজিবের কক্ষে ঢুকে তাকে চেপে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে নিহতের বাবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের মরদেহ শয়নকক্ষের বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রনি ও সজলকে গতকাল রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে তাদের দুজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজন চন্দ্র পাল বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আজ তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরের আর কে মিশন রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় রাজিব আহম্মেদ ওরফে রুবেল (৩৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বাড়িওয়ালাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) রাতে নিহতের বাবা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজিব প্রায় ১৫ দিন আগে আর কে মিশন রোডের ৩৬ বাড়ি কলোনির একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একা বসবাস করছিলেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ির মালিক পারুল বেগমের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বাড়িওয়ালা তাকে দ্রুত বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। রাজিব কিছু সময় চাইলেও বাড়িওয়ালা ও তার ছেলেরা তাকে নিয়মিত ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বাসা ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাড়িওয়ালা ও তার ছেলেদের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা রাজিবের কক্ষে ঢুকে তাকে চেপে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে নিহতের বাবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের মরদেহ শয়নকক্ষের বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রনি ও সজলকে গতকাল রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে তাদের দুজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজন চন্দ্র পাল বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আজ তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন