খুলনা মহানগরীর প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় একটি প্লাস্টিকের বস্তাবন্দী অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নগরীর প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কের একটি সাততলা ভবনের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে সড়কের পাশে একটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন তারা। প্রথমে সেটিকে পরিত্যক্ত কোনো বস্তু মনে হলেও কিছুক্ষণ পর বস্তার ভেতর থেকে তাজা রক্ত বের হতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বস্তাটি পরীক্ষা করে মানুষের মরদেহ নিশ্চিত হলে দ্রুত খুলনা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারীকে অন্য কোনো স্থানে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অপরাধীরা পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেটি প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়:
ঘটনাস্থল ও আশপাশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জনবহুল আবাসিক এলাকায় এভাবে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। এলাকাবাসী দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলেই তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
খুলনা মহানগরীর প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় একটি প্লাস্টিকের বস্তাবন্দী অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নগরীর প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কের একটি সাততলা ভবনের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে সড়কের পাশে একটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন তারা। প্রথমে সেটিকে পরিত্যক্ত কোনো বস্তু মনে হলেও কিছুক্ষণ পর বস্তার ভেতর থেকে তাজা রক্ত বের হতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বস্তাটি পরীক্ষা করে মানুষের মরদেহ নিশ্চিত হলে দ্রুত খুলনা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারীকে অন্য কোনো স্থানে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অপরাধীরা পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেটি প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়:
ঘটনাস্থল ও আশপাশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জনবহুল আবাসিক এলাকায় এভাবে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। এলাকাবাসী দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলেই তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন