বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) রংপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং দৈনিক প্রথম খবর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, প্রবীণ সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (১১ জুলাই) তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন। এক শোক বার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
তৌহিদুল ইসলাম বাবলা কেবল একজন সংবাদকর্মীই ছিলেন না, বরং মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি ছিলেন আপসহীন। তিনি ২০২২ সাল থেকে বিএমএসএফ ঘোষিত সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি আদায়ে রংপুর জেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় নিরলস কাজ করে গেছেন।
তার মৃত্যুতে রংপুরের সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে একজন সৎ, সাহসী এবং নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক হিসেবে স্মরণ করছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) রংপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং দৈনিক প্রথম খবর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, প্রবীণ সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (১১ জুলাই) তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন। এক শোক বার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
তৌহিদুল ইসলাম বাবলা কেবল একজন সংবাদকর্মীই ছিলেন না, বরং মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি ছিলেন আপসহীন। তিনি ২০২২ সাল থেকে বিএমএসএফ ঘোষিত সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি আদায়ে রংপুর জেলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় নিরলস কাজ করে গেছেন।
তার মৃত্যুতে রংপুরের সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে একজন সৎ, সাহসী এবং নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক হিসেবে স্মরণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন