কুমিল্লার দেবিদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো স্পর্শকাতর কাজে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করার অভিযোগে এক শিক্ষকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আবদুল্লাহপুর হাজী আমীর উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাচ্চু মিয়া এবং ওই বিদ্যালয়েরই ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং রোববার (১২ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৩ জুন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় ১০ম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞান বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) পাপিয়া আক্তার বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
দেবিদ্বার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন (অপরাধ) ১৯৮০’-এর ১০, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী পাপিয়া আক্তার বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় প্রক্রিয়ায় একজন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করানো অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো স্পর্শকাতর কাজে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করার অভিযোগে এক শিক্ষকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আবদুল্লাহপুর হাজী আমীর উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাচ্চু মিয়া এবং ওই বিদ্যালয়েরই ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং রোববার (১২ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৩ জুন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় ১০ম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞান বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) পাপিয়া আক্তার বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
দেবিদ্বার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন (অপরাধ) ১৯৮০’-এর ১০, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী পাপিয়া আক্তার বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় প্রক্রিয়ায় একজন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করানো অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন