কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী রিফাত প্রামাণিক (১৭) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত রিফাত বানিয়াপাড়া এলাকার আসলাম প্রামাণিকের ছেলে এবং সে এ বছর এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই রিফাত পলাতক রয়েছে।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালেও সে বাড়ির পাশে একটি মসজিদের মক্তবে কোরআন পড়তে যায়। পড়া শেষে বৃষ্টি হওয়ার কারণে শিশুটি মক্তবেই অবস্থান করছিল। অভিযুক্ত রিফাতের বোনও একই মক্তবে পড়ে। রিফাত তার বোনকে মক্তব থেকে বাড়িতে দিয়ে আসার পর আবারও মক্তবে ফিরে আসে। এরপর শিশুটিকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জানায় যে তার বোন পাশের একটি বাসায় ডাকছে।
সেখান থেকে শিশুটিকে ছাতার নিচে নিয়ে মক্তবের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর হাত-পা বেঁধে ও মুখে কাপড় গুঁজে তাকে ধর্ষণ করে রিফাত। শিশুটির কান্নাকাটি শুনে রাস্তা দিয়ে যাওয়া এক স্থানীয় ব্যক্তি ওই পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে রিফাতকে দেখতে পান। উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত রিফাত দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে উদ্ধার করে তার নানার বাড়িতে পৌঁছে দেন। বিকেলে তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, এই ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত রিফাত পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী রিফাত প্রামাণিক (১৭) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত রিফাত বানিয়াপাড়া এলাকার আসলাম প্রামাণিকের ছেলে এবং সে এ বছর এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই রিফাত পলাতক রয়েছে।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালেও সে বাড়ির পাশে একটি মসজিদের মক্তবে কোরআন পড়তে যায়। পড়া শেষে বৃষ্টি হওয়ার কারণে শিশুটি মক্তবেই অবস্থান করছিল। অভিযুক্ত রিফাতের বোনও একই মক্তবে পড়ে। রিফাত তার বোনকে মক্তব থেকে বাড়িতে দিয়ে আসার পর আবারও মক্তবে ফিরে আসে। এরপর শিশুটিকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জানায় যে তার বোন পাশের একটি বাসায় ডাকছে।
সেখান থেকে শিশুটিকে ছাতার নিচে নিয়ে মক্তবের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর হাত-পা বেঁধে ও মুখে কাপড় গুঁজে তাকে ধর্ষণ করে রিফাত। শিশুটির কান্নাকাটি শুনে রাস্তা দিয়ে যাওয়া এক স্থানীয় ব্যক্তি ওই পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে রিফাতকে দেখতে পান। উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত রিফাত দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে উদ্ধার করে তার নানার বাড়িতে পৌঁছে দেন। বিকেলে তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, এই ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত রিফাত পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন