নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে লোকমান মন্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে খাবার খেয়ে স্বামী-স্ত্রী নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। সোমবার ভোর ৪টার দিকে তাদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে তারা বাড়িতে গিয়ে খাটের ওপর দু’জনের মরদেহ দেখতে পান। ঘটনার পর থেকেই ছেলে মুক্তার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, নিহতদের ছেলে মুক্তার নেশা ও জুয়া খেলায় আসক্ত ছিলেন। প্রায়ই নেশার টাকার জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ হতো। তাদের ধারণা, নেশার টাকার দাবিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের বিষাক্ত কোনো কিছু খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পলাতক ছেলেকে খুঁজে বের করতে পুলিশের অভিযান চলছে।”
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে লোকমান মন্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে খাবার খেয়ে স্বামী-স্ত্রী নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। সোমবার ভোর ৪টার দিকে তাদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে তারা বাড়িতে গিয়ে খাটের ওপর দু’জনের মরদেহ দেখতে পান। ঘটনার পর থেকেই ছেলে মুক্তার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, নিহতদের ছেলে মুক্তার নেশা ও জুয়া খেলায় আসক্ত ছিলেন। প্রায়ই নেশার টাকার জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ হতো। তাদের ধারণা, নেশার টাকার দাবিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের বিষাক্ত কোনো কিছু খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পলাতক ছেলেকে খুঁজে বের করতে পুলিশের অভিযান চলছে।”

আপনার মতামত লিখুন