কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্লাস্টিকের বস্তায় লুকিয়ে পাচারের সময় প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ রুবিনা খাতুন (৪৬) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (১২ জুলাই) রাতে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক রুবিনা খাতুন ভৈরব উপজেলার কালিপুর গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের একটি দল জানতে পারে যে, ভৈরব থেকে অটোরিকশায় করে বাজিতপুরের সরারচর এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে উসমানপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় কাশেম মিয়ার মুরগির ফার্মের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন অটোরিকশাটি তল্লাশি করে প্লাস্টিকের চটের বস্তায় কসটেপে মোড়ানো বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবিনা খাতুন মাদক পাচারের কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদক কারবার নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রুবিনা খাতুনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্লাস্টিকের বস্তায় লুকিয়ে পাচারের সময় প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ রুবিনা খাতুন (৪৬) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (১২ জুলাই) রাতে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক রুবিনা খাতুন ভৈরব উপজেলার কালিপুর গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের একটি দল জানতে পারে যে, ভৈরব থেকে অটোরিকশায় করে বাজিতপুরের সরারচর এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে উসমানপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় কাশেম মিয়ার মুরগির ফার্মের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। পরে সন্দেহভাজন অটোরিকশাটি তল্লাশি করে প্লাস্টিকের চটের বস্তায় কসটেপে মোড়ানো বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবিনা খাতুন মাদক পাচারের কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদক কারবার নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রুবিনা খাতুনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন