বরগুনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর মো. শিপন হাওলাদার (২৫) নামে এক যুবকের পা বাঁধা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আমড়াঝুড়ি এলাকার নিজ বাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিপন হাওলাদার ওই এলাকার মো. সোহরাব হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হন শিপন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
সোমবার দুপুরে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে শিপনের মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের বাবা মো. সোহরাব হাওলাদার বলেন, "আমি ৪০ বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছি, কারো সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই। আমার ছেলেকে কে বা কারা এমন নৃশংসভাবে হত্যা করল, আমি কিছুই জানি না।"
বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধারের সময় পা বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।"
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
বরগুনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর মো. শিপন হাওলাদার (২৫) নামে এক যুবকের পা বাঁধা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আমড়াঝুড়ি এলাকার নিজ বাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিপন হাওলাদার ওই এলাকার মো. সোহরাব হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হন শিপন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
সোমবার দুপুরে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে শিপনের মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের বাবা মো. সোহরাব হাওলাদার বলেন, "আমি ৪০ বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছি, কারো সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই। আমার ছেলেকে কে বা কারা এমন নৃশংসভাবে হত্যা করল, আমি কিছুই জানি না।"
বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধারের সময় পা বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন