কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় ২০ বছর পর চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নিহতের স্ত্রী নূর নাহার (৪৮), শাশুড়ি ছকিনা বেগম (৬০), শ্বশুর নূর মোহাম্মদ (৬৮) এবং স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক আব্দুল গফুর (৫২)। আদালত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত চারজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নূর নাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নূর নাহার, তার বাবা-মা এবং পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখেন।
এ ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় এলো। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় অপর ৫ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন। সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় ২০ বছর পর চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নিহতের স্ত্রী নূর নাহার (৪৮), শাশুড়ি ছকিনা বেগম (৬০), শ্বশুর নূর মোহাম্মদ (৬৮) এবং স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক আব্দুল গফুর (৫২)। আদালত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত চারজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নূর নাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নূর নাহার, তার বাবা-মা এবং পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখেন।
এ ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় এলো। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় অপর ৫ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন। সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন