ডিএমএফ (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) ডিগ্রি নিয়েও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগী দেখার অপরাধে বগুড়ায় এক ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া ফার্মেসিটি থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে বগুড়া সদর উপজেলার শেরেবাংলা নগর এলাকার ‘চৌধুরী ফার্মেসি’তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান। এ সময় র্যাব-১২ ও জেলা পুলিশ সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, ফার্মেসিটির স্বত্বাধিকারী মহিদুর রহমান চৌধুরী (রুমন) ও মতিউর রহমান চৌধুরী (রুম্মান) দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের নামের আগে ডাক্তার পদবি লিখে রোগী দেখছিলেন। তারা নিবন্ধিত এমবিবিএস চিকিৎসক নন, ফলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন। অভিযানের সময় তারা তাদের এই ভুয়া পরিচয় ও অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেন।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার না করা এবং ভুয়া চিকিৎসা প্রদান বন্ধের বিষয়ে অভিযুক্তরা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ডিএমএফ (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) ডিগ্রি নিয়েও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগী দেখার অপরাধে বগুড়ায় এক ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া ফার্মেসিটি থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে বগুড়া সদর উপজেলার শেরেবাংলা নগর এলাকার ‘চৌধুরী ফার্মেসি’তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান। এ সময় র্যাব-১২ ও জেলা পুলিশ সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, ফার্মেসিটির স্বত্বাধিকারী মহিদুর রহমান চৌধুরী (রুমন) ও মতিউর রহমান চৌধুরী (রুম্মান) দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের নামের আগে ডাক্তার পদবি লিখে রোগী দেখছিলেন। তারা নিবন্ধিত এমবিবিএস চিকিৎসক নন, ফলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন। অভিযানের সময় তারা তাদের এই ভুয়া পরিচয় ও অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেন।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার না করা এবং ভুয়া চিকিৎসা প্রদান বন্ধের বিষয়ে অভিযুক্তরা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন