পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকায় শিশুর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মৃত শিশুটির নানা-নানি ও অ্যাম্বুলেন্সচালক রয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও ভাইসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদ গ্রামের সলিম প্রামাণিক ও তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (৩০)। নিহত সলিম প্রামাণিক ও বুলু খাতুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসা মৃত শিশু কেয়া খাতুনের নানা ও নানি।
পাবনার মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে সাঁথিয়ার বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সড়াডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের একটি বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক রাজ শেখ এবং শিশুর নানি বুলু খাতুন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শিশুটির মা নাজমিন খাতুন ও ভাই রিয়াদ সরদারসহ অন্যদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে নানা সলিম প্রামাণিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় পথিমধ্যে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকায় শিশুর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মৃত শিশুটির নানা-নানি ও অ্যাম্বুলেন্সচালক রয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও ভাইসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদ গ্রামের সলিম প্রামাণিক ও তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (৩০)। নিহত সলিম প্রামাণিক ও বুলু খাতুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসা মৃত শিশু কেয়া খাতুনের নানা ও নানি।
পাবনার মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে সাঁথিয়ার বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সড়াডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের একটি বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক রাজ শেখ এবং শিশুর নানি বুলু খাতুন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শিশুটির মা নাজমিন খাতুন ও ভাই রিয়াদ সরদারসহ অন্যদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে নানা সলিম প্রামাণিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় পথিমধ্যে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন