বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে কবির হাওলাদার ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রাজৈর গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের দুই মাস বয়সী শিশুসন্তানকে বাবা-মায়ের মরদেহের পাশে কান্নারত অবস্থায় জীবিত পাওয়া যায়। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যেখানে লেখা রয়েছে— ‘এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
শরণখোলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে কবির হাওলাদার ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রাজৈর গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের দুই মাস বয়সী শিশুসন্তানকে বাবা-মায়ের মরদেহের পাশে কান্নারত অবস্থায় জীবিত পাওয়া যায়। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যেখানে লেখা রয়েছে— ‘এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
শরণখোলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন