নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রী যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আলিনুর কুমড়ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে আলিনুর ফকির বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখের কাছে তিনি পাওনা টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজিব শেখ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলিনুরের পেটে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। আলিনুরের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসী জানান, পাওনা টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সামান্য আর্থিক বিরোধের জেরে এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রী যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আলিনুর কুমড়ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে আলিনুর ফকির বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখের কাছে তিনি পাওনা টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজিব শেখ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলিনুরের পেটে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। আলিনুরের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসী জানান, পাওনা টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সামান্য আর্থিক বিরোধের জেরে এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন