গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে খালের ওপর দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে একটি ব্রিজ। ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি স্থানীয়দের কোনো কাজে আসছে না। পথচারীদের বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠতে হচ্ছে, যা তাদের যাতায়াতের ভোগান্তি আগের মতোই বহাল রেখেছে।
উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাড়াইকান্দি গ্রামে খালের ওপর ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪ ফুট প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তর। গত ৩০ জুন নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক তৈরি করেনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘রামিম এন্টারপ্রাইজ’। স্থানীয়দের অভিযোগ, পিআইও অফিসের যোগসাজশে ঠিকাদার কাজ শেষ না করেই বিল তুলে নিয়েছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কের বদলে রয়েছে সরু ও পিচ্ছিল বাঁশের সাঁকো। শ্রীপুর ও কাপাশিয়া ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ দৈনিক এই পথ ব্যবহার করলেও কোনো যানবাহন চলতে পারছে না। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে বা সাইকেল ঠেলে পার হচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, সুন্দরগঞ্জ থেকে বটতলা হয়ে গাইবান্ধা শহরে যাওয়ার দূরত্বের ৭-৮ কিলোমিটার কমায় পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদার ও পিআইওকে একাধিকবার বলা হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মশিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রামিম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জিয়াউর রহমান জানান, খালের পানির প্রবাহের কারণে শেষ মুহূর্তে সংযোগ সড়ক করা সম্ভব হয়নি; পানি কমলে দ্রুত কাজ শেষ করা হবে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, কাজের বাকি অংশের বিল আটকানো রয়েছে এবং পানি কমলেই ঠিকাদারকে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে খালের ওপর দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে একটি ব্রিজ। ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি স্থানীয়দের কোনো কাজে আসছে না। পথচারীদের বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠতে হচ্ছে, যা তাদের যাতায়াতের ভোগান্তি আগের মতোই বহাল রেখেছে।
উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাড়াইকান্দি গ্রামে খালের ওপর ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪ ফুট প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তর। গত ৩০ জুন নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক তৈরি করেনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘রামিম এন্টারপ্রাইজ’। স্থানীয়দের অভিযোগ, পিআইও অফিসের যোগসাজশে ঠিকাদার কাজ শেষ না করেই বিল তুলে নিয়েছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কের বদলে রয়েছে সরু ও পিচ্ছিল বাঁশের সাঁকো। শ্রীপুর ও কাপাশিয়া ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ দৈনিক এই পথ ব্যবহার করলেও কোনো যানবাহন চলতে পারছে না। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে বা সাইকেল ঠেলে পার হচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, সুন্দরগঞ্জ থেকে বটতলা হয়ে গাইবান্ধা শহরে যাওয়ার দূরত্বের ৭-৮ কিলোমিটার কমায় পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদার ও পিআইওকে একাধিকবার বলা হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মশিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রামিম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জিয়াউর রহমান জানান, খালের পানির প্রবাহের কারণে শেষ মুহূর্তে সংযোগ সড়ক করা সম্ভব হয়নি; পানি কমলে দ্রুত কাজ শেষ করা হবে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, কাজের বাকি অংশের বিল আটকানো রয়েছে এবং পানি কমলেই ঠিকাদারকে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন