নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: পলি অপসারণের দাবিতে ডুমুরিয়ায় গণআবেদন

হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: পলি অপসারণের দাবিতে ডুমুরিয়ায় গণআবেদন

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হরিভদ্রা নদী খনন কার্যক্রম শেষ হলেও এর প্রত্যাশিত সুফল পাচ্ছেন না নদীপাড়ের বাসিন্দারা। খনন-পরবর্তী অব্যবস্থাপনা এবং নদীর একপাশে ক্রস বাঁধ নির্মাণের ফলে পলি জমে নদীটি আবারও ভরাট হয়ে গেছে। 

এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে এবং দ্রুত পলি অপসারণের দাবিতে গণস্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত আবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে জমা দিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের পর খর্ণিয়া অংশে একটি ক্রস বাঁধ দেওয়া হয়, যার ফলে নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমেছে। পরবর্তীতে ভারী বর্ষণে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় বাঁধ কেটে দেওয়া হলেও জমে থাকা পলির কারণে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। 

এতে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে এবং আসন্ন বর্ষায় ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে পলি কাটতে মাত্র একটি ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। পলি দ্রুত অপসারণ করা না হলে ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া, রুদাঘরা, ধামালিয়া, আটলিয়া, শোভনাসহ পার্শ্ববর্তী কেশবপুর ও মনিরামপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার আবেদন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি অবহিত করেছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন বলেন, "পানি নিষ্কাশন সচল করতে একটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পলি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত ড্রেজার যুক্ত করার বিষয় টি আমরা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছি।"

স্থানীয়দের দাবি, কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই সরকারি উদ্যোগের সুফল পেতে দ্রুত অতিরিক্ত ড্রেজার যুক্ত করে ওই পাঁচ কিলোমিটার এলাকার পলি অপসারণ করা জরুরি।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: পলি অপসারণের দাবিতে ডুমুরিয়ায় গণআবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হরিভদ্রা নদী খনন কার্যক্রম শেষ হলেও এর প্রত্যাশিত সুফল পাচ্ছেন না নদীপাড়ের বাসিন্দারা। খনন-পরবর্তী অব্যবস্থাপনা এবং নদীর একপাশে ক্রস বাঁধ নির্মাণের ফলে পলি জমে নদীটি আবারও ভরাট হয়ে গেছে। 

এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে এবং দ্রুত পলি অপসারণের দাবিতে গণস্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত আবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে জমা দিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের পর খর্ণিয়া অংশে একটি ক্রস বাঁধ দেওয়া হয়, যার ফলে নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমেছে। পরবর্তীতে ভারী বর্ষণে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় বাঁধ কেটে দেওয়া হলেও জমে থাকা পলির কারণে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। 

এতে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে এবং আসন্ন বর্ষায় ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে পলি কাটতে মাত্র একটি ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। পলি দ্রুত অপসারণ করা না হলে ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া, রুদাঘরা, ধামালিয়া, আটলিয়া, শোভনাসহ পার্শ্ববর্তী কেশবপুর ও মনিরামপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার আবেদন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি অবহিত করেছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন বলেন, "পানি নিষ্কাশন সচল করতে একটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পলি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত ড্রেজার যুক্ত করার বিষয় টি আমরা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছি।"

স্থানীয়দের দাবি, কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই সরকারি উদ্যোগের সুফল পেতে দ্রুত অতিরিক্ত ড্রেজার যুক্ত করে ওই পাঁচ কিলোমিটার এলাকার পলি অপসারণ করা জরুরি।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত