নজর বিডি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ভাঙা রাস্তা, অন্ধকার সড়ক ও পানির সংকট: দুর্ভোগে মহেশপুরবাসী

ভাঙা রাস্তা, অন্ধকার সড়ক ও পানির সংকট: দুর্ভোগে মহেশপুরবাসী

ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দেড় শতাব্দীর পুরোনো মহেশপুর পৌরসভা ২০০৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও নাগরিক সেবার মান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। 

ভাঙাচোরা সড়ক, অকেজো সড়কবাতি, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানির সংকটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দাকে। নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

প্রায় ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার বহু সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অপ্রতুল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভায় প্রয়োজনীয় ৩ হাজার সড়কবাতির বিপরীতে আছে ২ হাজার, যার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে অকেজো। ফলে সন্ধ্যার পর অনেক এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে এবং নারী ও শিশুদের চলাচলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে।

পৌর এলাকায় পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ও শারমিন সুলতানারা জানান, কর পরিশোধ সত্ত্বেও ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত। ১ম ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, পুরোনো পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও উন্নয়নের দিক থেকে এটি অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে ইতোমধ্যে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সড়ক সংস্কার, ড্রেন নির্মাণ, নতুন সড়কবাতি স্থাপন এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হলে পৌরবাসীর এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভাঙা রাস্তা, অন্ধকার সড়ক ও পানির সংকট: দুর্ভোগে মহেশপুরবাসী

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দেড় শতাব্দীর পুরোনো মহেশপুর পৌরসভা ২০০৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও নাগরিক সেবার মান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। 

ভাঙাচোরা সড়ক, অকেজো সড়কবাতি, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানির সংকটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দাকে। নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

প্রায় ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার বহু সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অপ্রতুল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভায় প্রয়োজনীয় ৩ হাজার সড়কবাতির বিপরীতে আছে ২ হাজার, যার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে অকেজো। ফলে সন্ধ্যার পর অনেক এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে এবং নারী ও শিশুদের চলাচলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ে।

পৌর এলাকায় পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ও শারমিন সুলতানারা জানান, কর পরিশোধ সত্ত্বেও ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত। ১ম ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, পুরোনো পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও উন্নয়নের দিক থেকে এটি অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে ইতোমধ্যে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সড়ক সংস্কার, ড্রেন নির্মাণ, নতুন সড়কবাতি স্থাপন এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হলে পৌরবাসীর এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত