পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট চেকারের (টিটি) বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করায় রাজশাহী অঞ্চলে অন্তত ৬টি ট্রেনের যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো সাধারণ যাত্রী।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনের রেল ক্রসিং ও আরডিএ ওভারপাসের নিচে গাছের শেকড়, বেঞ্চ ও লাল নিশান টানিয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ শুরু করেন।
এর ফলে বিভিন্ন স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়ে: বনলতা এক্সপ্রেস: সকাল ৭টা ৫ মিনিট থেকে রাবি এলাকায় আটকে আছে। সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও ১৬ মহানন্দা: রাজশাহী স্টেশনে আটকা। ঢালারচর এক্সপ্রেস: সারদা স্টেশনে। ৫৭ কমিউটার: হরিয়ান স্টেশনে। সিক্স ডাউন: শীতলাই স্টেশনে থামানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফোরকান উদ্দীন (আইন বিভাগ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) জানান, সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহী ফেরার পথে টিটিরা যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া অনিয়ম করে টাকা আদায় করছিলেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি প্রতিবাদ করলে ৬-৭ জন টিটি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, ঘাড়ে-পিঠে মারধর করে এবং চলন্ত ট্রেনের জানালার দিক দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।
ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ৪ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে: অভিযুক্ত টিটিকে অবিলম্বে সাময়িক বরখাস্ত ও আইনের আওতায় আনা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা। ট্রেনে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এবং রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট চেকারের (টিটি) বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করায় রাজশাহী অঞ্চলে অন্তত ৬টি ট্রেনের যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো সাধারণ যাত্রী।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনের রেল ক্রসিং ও আরডিএ ওভারপাসের নিচে গাছের শেকড়, বেঞ্চ ও লাল নিশান টানিয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ শুরু করেন।
এর ফলে বিভিন্ন স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়ে: বনলতা এক্সপ্রেস: সকাল ৭টা ৫ মিনিট থেকে রাবি এলাকায় আটকে আছে। সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও ১৬ মহানন্দা: রাজশাহী স্টেশনে আটকা। ঢালারচর এক্সপ্রেস: সারদা স্টেশনে। ৫৭ কমিউটার: হরিয়ান স্টেশনে। সিক্স ডাউন: শীতলাই স্টেশনে থামানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফোরকান উদ্দীন (আইন বিভাগ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) জানান, সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহী ফেরার পথে টিটিরা যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া অনিয়ম করে টাকা আদায় করছিলেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি প্রতিবাদ করলে ৬-৭ জন টিটি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, ঘাড়ে-পিঠে মারধর করে এবং চলন্ত ট্রেনের জানালার দিক দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে।
ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ৪ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে: অভিযুক্ত টিটিকে অবিলম্বে সাময়িক বরখাস্ত ও আইনের আওতায় আনা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা। ট্রেনে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এবং রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন