খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামে মাচা পদ্ধতিতে পোল্লার (চিচিঙ্গা) বাণিজ্যিক চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন কৃষক শেখ শাহিনুর রহমান। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আব্দুল ওয়াদুদ সরদারসহ স্থানীয় অনেক কৃষকই এখন আধুনিক মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে ঝুঁকছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে সঠিক সার ও আধুনিক মালচিং ব্যবহার করে মাটিতে চাষের চেয়ে মাচায় অনেক বেশি ও উন্নতমানের দাগহীন ফলন পেয়েছেন। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় অন্য কৃষকরাও এখন এই চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।
শুরু থেকেই মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সুষম সার প্রয়োগ, মালচিং পেপারের ব্যবহার এবং বালাই দমনে প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনা দিয়ে চাষীদের সহায়তা করা হচ্ছে।
মাচা পদ্ধতিতে ঝুলে থাকার কারণে বর্ষার পানি বা আর্দ্রতায় সবজি নষ্ট হয় না। ক্ষতিকারক পোকা দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (IPM) ব্যবহারের ফলে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদিত হচ্ছে।
সনাতন পদ্ধতির চেয়ে মাচা পদ্ধতিতে একর প্রতি ফলন দেড় থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। ডুমুরিয়া কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের উচ্চফলনশীল বীজ, প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
টিপনা গ্রামের এই মডেল পুরো জেলার কৃষি বিপ্লবের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। ডুমুরিয়ার এই সফল মাচা চাষের মডেলকে খুলনা জেলার অন্যান্য উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১. প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার: মাচা ও আধুনিক মালচিং পদ্ধতির সমন্বয়।
২. নিরাপদ সবজি: জৈব বালাইনাশক ও সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারে বিষমুক্ত উৎপাদন।
৩. সমন্বিত তদারকি: উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা।
উপযুক্ত পরামর্শ ও আধুনিক পদ্ধতির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ডুমুরিয়ার টিপনা গ্রামের এই উদ্যোগ এখন সারাদেশের কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামে মাচা পদ্ধতিতে পোল্লার (চিচিঙ্গা) বাণিজ্যিক চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন কৃষক শেখ শাহিনুর রহমান। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আব্দুল ওয়াদুদ সরদারসহ স্থানীয় অনেক কৃষকই এখন আধুনিক মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে ঝুঁকছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে সঠিক সার ও আধুনিক মালচিং ব্যবহার করে মাটিতে চাষের চেয়ে মাচায় অনেক বেশি ও উন্নতমানের দাগহীন ফলন পেয়েছেন। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় অন্য কৃষকরাও এখন এই চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।
শুরু থেকেই মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সুষম সার প্রয়োগ, মালচিং পেপারের ব্যবহার এবং বালাই দমনে প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনা দিয়ে চাষীদের সহায়তা করা হচ্ছে।
মাচা পদ্ধতিতে ঝুলে থাকার কারণে বর্ষার পানি বা আর্দ্রতায় সবজি নষ্ট হয় না। ক্ষতিকারক পোকা দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (IPM) ব্যবহারের ফলে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদিত হচ্ছে।
সনাতন পদ্ধতির চেয়ে মাচা পদ্ধতিতে একর প্রতি ফলন দেড় থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। ডুমুরিয়া কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের উচ্চফলনশীল বীজ, প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
টিপনা গ্রামের এই মডেল পুরো জেলার কৃষি বিপ্লবের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। ডুমুরিয়ার এই সফল মাচা চাষের মডেলকে খুলনা জেলার অন্যান্য উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১. প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার: মাচা ও আধুনিক মালচিং পদ্ধতির সমন্বয়।
২. নিরাপদ সবজি: জৈব বালাইনাশক ও সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারে বিষমুক্ত উৎপাদন।
৩. সমন্বিত তদারকি: উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা।
উপযুক্ত পরামর্শ ও আধুনিক পদ্ধতির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ডুমুরিয়ার টিপনা গ্রামের এই উদ্যোগ এখন সারাদেশের কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন