রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভীবাজার এলাকায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সংযোগ সড়কবিহীন পড়ে আছে।
বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় দুই পাশে বাঁশের সাঁকো ও নড়বড়ে কাঠের পাটাতন দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে ইউএসএআইডি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এলজিইডির মাধ্যমে প্রায় ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় এবং বন্যায় দুই পাশের মাটি ধসে গিয়ে সেতুটি একদিকে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে।
বর্তমানে এটি স্থানীয়দের জন্য এক মারাত্মক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুটি দিয়ে যানবাহন বা কৃষিপণ্য পরিবহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, পরিষদ থেকে ইতিপূর্বে মাটি ভরাট করা হলেও তা ভারীবর্ষণে ধুয়ে গেছে। নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, উক্ত স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বর্তমানে মাটি পরীক্ষা ও টোপোগ্রাফিক সার্ভে শেষে প্রকল্পটি নকশা পর্যায়ে রয়েছে। নকশা চূড়ান্ত করে শিগগিরই দরপত্র আহ্বান করা হবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভীবাজার এলাকায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সংযোগ সড়কবিহীন পড়ে আছে।
বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় দুই পাশে বাঁশের সাঁকো ও নড়বড়ে কাঠের পাটাতন দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে ইউএসএআইডি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এলজিইডির মাধ্যমে প্রায় ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় এবং বন্যায় দুই পাশের মাটি ধসে গিয়ে সেতুটি একদিকে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে।
বর্তমানে এটি স্থানীয়দের জন্য এক মারাত্মক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুটি দিয়ে যানবাহন বা কৃষিপণ্য পরিবহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, পরিষদ থেকে ইতিপূর্বে মাটি ভরাট করা হলেও তা ভারীবর্ষণে ধুয়ে গেছে। নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, উক্ত স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বর্তমানে মাটি পরীক্ষা ও টোপোগ্রাফিক সার্ভে শেষে প্রকল্পটি নকশা পর্যায়ে রয়েছে। নকশা চূড়ান্ত করে শিগগিরই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন