কুষ্টিয়া শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ভূমিকা রাখা জেলা পুলিশের ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা প্রায় দুই বছর ধরে সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকে এগুলো আর সচল করা হয়নি। কোথাও ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও বক্সসহ উধাও হয়ে গেছে।
নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় শহরে চুরি, ছিনতাই ও মাদক কারবারসহ নানা অপরাধ বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ছে, অন্যদিকে অপরাধী শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
২০১৭ সালে শহরের থানার মোড়, মজমপুর গেট, বড়বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়। এটি চালু থাকাকালে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং অপরাধ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশকে অপরাধী ধরতে ব্যক্তিগত বাসা-বাড়ি বা দোকানের ক্যামেরার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ জানান, ক্যামেরাগুলো পুনরায় স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শহরকে আবার সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার আশ্বাস দেন তিনি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়া শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ভূমিকা রাখা জেলা পুলিশের ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা প্রায় দুই বছর ধরে সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকে এগুলো আর সচল করা হয়নি। কোথাও ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও বক্সসহ উধাও হয়ে গেছে।
নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় শহরে চুরি, ছিনতাই ও মাদক কারবারসহ নানা অপরাধ বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ছে, অন্যদিকে অপরাধী শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
২০১৭ সালে শহরের থানার মোড়, মজমপুর গেট, বড়বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়। এটি চালু থাকাকালে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ক্যামেরাগুলো অচল থাকায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং অপরাধ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশকে অপরাধী ধরতে ব্যক্তিগত বাসা-বাড়ি বা দোকানের ক্যামেরার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ জানান, ক্যামেরাগুলো পুনরায় স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শহরকে আবার সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার আশ্বাস দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন