খাগড়াছড়ির গুইমারায় ইয়াবা সেবন ও নিজের হেফাজতে রাখার অপরাধে মো. জিয়াউর রহমান (৩০) নামের এক যুবককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে গুইমারা সদরের যৌথ খামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত জিয়াউর রহমান গুইমারা উপজেলার বড় পিলাক এলাকার মো. আবুল হাসেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২২ জুলাই বিকেলে এক সঙ্গীকে নিয়ে সিএনজিযোগে চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান জিয়াউর। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা নজরদারি শুরু করেন। বেরিয়ে আসার পর জিয়াউরকে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গী পালিয়ে যায়। জেরার মুখে তারা স্বীকার করেন যে সাথে থাকা ইয়াবা পাশে জঙ্গলে ফেলে দিয়েছেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে জঙ্গল থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জিয়াউরকে আটক করে। পরবর্তীতে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (৫) ধারা অনুযায়ী উক্ত সাজা ও জরিমানা প্রদান করেন।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এলাকায় দীর্ঘদিনের মাদক কারবার ও অসাধু চক্রের বেপরোয়া তৎপরতা বন্ধে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে কঠোর অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
খাগড়াছড়ির গুইমারায় ইয়াবা সেবন ও নিজের হেফাজতে রাখার অপরাধে মো. জিয়াউর রহমান (৩০) নামের এক যুবককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে গুইমারা সদরের যৌথ খামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত জিয়াউর রহমান গুইমারা উপজেলার বড় পিলাক এলাকার মো. আবুল হাসেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২২ জুলাই বিকেলে এক সঙ্গীকে নিয়ে সিএনজিযোগে চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান জিয়াউর। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা নজরদারি শুরু করেন। বেরিয়ে আসার পর জিয়াউরকে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গী পালিয়ে যায়। জেরার মুখে তারা স্বীকার করেন যে সাথে থাকা ইয়াবা পাশে জঙ্গলে ফেলে দিয়েছেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে জঙ্গল থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জিয়াউরকে আটক করে। পরবর্তীতে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (৫) ধারা অনুযায়ী উক্ত সাজা ও জরিমানা প্রদান করেন।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এলাকায় দীর্ঘদিনের মাদক কারবার ও অসাধু চক্রের বেপরোয়া তৎপরতা বন্ধে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে কঠোর অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন