যশোর শহরে চাঁদার টাকা না পেয়ে বসতবাড়িতে হামলা ও গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টাকালে প্রতিবেশী নারীর দায়ের কোপে মো. জিতু (৩৫) নামের একাধিক মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোরে নড়াইলের তুলারামপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত জিতু শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকা থেকে ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় জিতুকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা পাঠায়, কিন্তু পথিমধ্যেই তিনি মারা যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূর শাশুড়ি শুকরান বেগম জানান, রাতে জিতু তাদের বাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে জিতু তার ছেলে সুমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় এবং তাকেও আহত করে। একপর্যায়ে তার পুত্রবধূকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে ঘরে থাকা দা দিয়ে জিতুকে কোপানো হয়। বর্তমানে শুকরান বেগম ও তার ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, নিহত জিতু একাধিক মামলার আসামি ছিল। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত পরিচালনা করছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
যশোর শহরে চাঁদার টাকা না পেয়ে বসতবাড়িতে হামলা ও গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টাকালে প্রতিবেশী নারীর দায়ের কোপে মো. জিতু (৩৫) নামের একাধিক মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোরে নড়াইলের তুলারামপুরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত জিতু শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকা থেকে ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় জিতুকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা পাঠায়, কিন্তু পথিমধ্যেই তিনি মারা যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূর শাশুড়ি শুকরান বেগম জানান, রাতে জিতু তাদের বাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে জিতু তার ছেলে সুমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় এবং তাকেও আহত করে। একপর্যায়ে তার পুত্রবধূকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে ঘরে থাকা দা দিয়ে জিতুকে কোপানো হয়। বর্তমানে শুকরান বেগম ও তার ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, নিহত জিতু একাধিক মামলার আসামি ছিল। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত পরিচালনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন