পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কানাপাড়া ঠেকরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা একটি জীর্ণ টিনশেড ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। দেওয়ালের বড় বড় ফাটল, রড বেরিয়ে আসা এবং ছাউনির ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভুগছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২৬১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৯৮৪ সালে নির্মিত চার কক্ষের টিনশেড ভবনটির তিনটি কক্ষেই এখন ক্লাস নিতে হচ্ছে। ২০২২ সালের ২১ মার্চ উপজেলা শিক্ষা কমিটি ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে এবং পরবর্তীতে নিলামের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হলেও বিকল্প ভবন নির্মাণ না হওয়ায় তা এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দত্ত ও সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, একমাত্র পাকা ভবনের দুটি কক্ষের একটি অফিস এবং অন্যটি প্রাক-প্রাথমিক ও ডিজিটাল ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে টিনশেড ভবনে পাঠদান চালাতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নতুন ভবনের অভাব থাকায় বাধ্য হয়ে ক্লাস চালানো হচ্ছে এবং বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কানাপাড়া ঠেকরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা একটি জীর্ণ টিনশেড ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। দেওয়ালের বড় বড় ফাটল, রড বেরিয়ে আসা এবং ছাউনির ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভুগছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২৬১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৯৮৪ সালে নির্মিত চার কক্ষের টিনশেড ভবনটির তিনটি কক্ষেই এখন ক্লাস নিতে হচ্ছে। ২০২২ সালের ২১ মার্চ উপজেলা শিক্ষা কমিটি ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে এবং পরবর্তীতে নিলামের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হলেও বিকল্প ভবন নির্মাণ না হওয়ায় তা এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দত্ত ও সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, একমাত্র পাকা ভবনের দুটি কক্ষের একটি অফিস এবং অন্যটি প্রাক-প্রাথমিক ও ডিজিটাল ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে টিনশেড ভবনে পাঠদান চালাতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নতুন ভবনের অভাব থাকায় বাধ্য হয়ে ক্লাস চালানো হচ্ছে এবং বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন