খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ও ভদ্র দেয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় নির্মাণাধীন ব্রীজ ও সংযোগ সড়কের ভরাটকাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সিডিউল ও নিয়ম অনুযায়ী বালু ভরাট করার কথা থাকলেও বালুর পরিবর্তে মাটি ও ইটভাটার উচ্ছিষ্ট রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের সিডিউল তোয়াক্কা না করে তিন ভাগ মাটির সাথে এক ভাগ ইটভাটার বর্জ্য ও রাবিশ মিশিয়ে সংযোগ সড়ক ভরাট করা হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়কটি কাদা ও ধুলোয় পরিণত হয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
ভোগান্তির কথা তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা মোজাফফর হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাস্তার কাজে বালুর পরিবর্তে মাটি আর ভাটার বর্জ্য ব্যবহার করতে আগে কখনো দেখিনি। এভাবে কাজ করা হলে সড়কটি বেশি দিন টিকবে না।"
পথচারী রাহিলা বেগম জানান, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে হাজারো মানুষ চলাচল করে। মাটি ও রাবিশের কারণে ধুলো-কাদায় হাঁটাই দায় হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা।
তবে অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ব্রীজের কাজ দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলাম ফকির। তিনি দাবি করেন, সিডিউলের নিয়ম মেনেই নির্দিষ্ট পরিমাপ অনুযায়ী মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদার বদরুদ্দোজা বাবলু জানান, কাজের মান ঠিক রেখেই সব সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এতে কোনো অনিয়ম করা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুল হুদা জানান, ব্রীজের সংযোগ সড়কের কাজে সিডিউল বহির্ভূত বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিনে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে টেকসই সড়ক নির্মাণ ও পথচারীদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ও ভদ্র দেয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় নির্মাণাধীন ব্রীজ ও সংযোগ সড়কের ভরাটকাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সিডিউল ও নিয়ম অনুযায়ী বালু ভরাট করার কথা থাকলেও বালুর পরিবর্তে মাটি ও ইটভাটার উচ্ছিষ্ট রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের সিডিউল তোয়াক্কা না করে তিন ভাগ মাটির সাথে এক ভাগ ইটভাটার বর্জ্য ও রাবিশ মিশিয়ে সংযোগ সড়ক ভরাট করা হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়কটি কাদা ও ধুলোয় পরিণত হয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
ভোগান্তির কথা তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা মোজাফফর হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাস্তার কাজে বালুর পরিবর্তে মাটি আর ভাটার বর্জ্য ব্যবহার করতে আগে কখনো দেখিনি। এভাবে কাজ করা হলে সড়কটি বেশি দিন টিকবে না।"
পথচারী রাহিলা বেগম জানান, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে হাজারো মানুষ চলাচল করে। মাটি ও রাবিশের কারণে ধুলো-কাদায় হাঁটাই দায় হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা।
তবে অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ব্রীজের কাজ দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলাম ফকির। তিনি দাবি করেন, সিডিউলের নিয়ম মেনেই নির্দিষ্ট পরিমাপ অনুযায়ী মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদার বদরুদ্দোজা বাবলু জানান, কাজের মান ঠিক রেখেই সব সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এতে কোনো অনিয়ম করা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুল হুদা জানান, ব্রীজের সংযোগ সড়কের কাজে সিডিউল বহির্ভূত বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিনে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে টেকসই সড়ক নির্মাণ ও পথচারীদের দৈনন্দিন দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন