সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আখতার হোসেন বলেন, সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে পদত্যাগপত্রের মাধ্যমে নিজের জন্য একটি ‘সেফ এক্সিট’ বা নিরাপদে বের হওয়ার পথ তৈরির চেষ্টা করেছেন। তবে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের পূর্ণাঙ্গ বিচারের স্বার্থে তার শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে সীমাবদ্ধতা থাকলেও পদত্যাগের পর তার আর কোনো দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি নেই। তাই কালবিলম্ব না করে তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, বিএনপির সঙ্গে টানাপোড়েনের কারণেই সাহাবুদ্দিনের এই পদত্যাগ।
তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদের সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও রক্তস্নাত সংসদে তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিবাদে এনসিপি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আখতার হোসেন বলেন, সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে পদত্যাগপত্রের মাধ্যমে নিজের জন্য একটি ‘সেফ এক্সিট’ বা নিরাপদে বের হওয়ার পথ তৈরির চেষ্টা করেছেন। তবে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের পূর্ণাঙ্গ বিচারের স্বার্থে তার শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে সীমাবদ্ধতা থাকলেও পদত্যাগের পর তার আর কোনো দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি নেই। তাই কালবিলম্ব না করে তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, বিএনপির সঙ্গে টানাপোড়েনের কারণেই সাহাবুদ্দিনের এই পদত্যাগ।
তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদের সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও রক্তস্নাত সংসদে তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যার প্রতিবাদে এনসিপি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।

আপনার মতামত লিখুন