রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার পরশুরাম থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমাশু কুকরুল এলাকায় জানালার কাঠের ডাশা ভেঙে ঘরের ভেতরের ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত তরুণ একই এলাকার বাসিন্দা, পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি আব্দুল বাকীর পুত্র মোঃ নাসিম মিয়া (২০)।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মফিজ আলমের পুত্র মোঃ সাব্বির হোসেন (৩০) জানান, গত ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখ (শুক্রবার) ভোর আনুমানিক ৪:২০ মিনিটে তিনি ফজরের নামাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার জন্য ঘরের দরজা খোলেন। এ সময় তিনি দেখতে পান, অভিযুক্ত নাসিম মিয়া তার শয়নকক্ষের জানালার কাঠের ডাশা ভেঙে মোবাইল ফোনে ভেতরের দৃশ্য ধারণ করছে।
সাব্বির হোসেনের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ছুটে এলে নাসিম দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাব্বির হোসেন আরও বলেন, "চিল্লাচিল্লি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলেও নাসিমকে ধরা সম্ভব হয়নি, সে পালিয়ে যায়।"
এদিকে, পালানোর সময় পাশের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের রান্নার দায়িত্বে থাকা এক পাচক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তাকে দেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। ওই পাচক জানান, তিনি নাসিমকে এত সকালে কোথায় যাচ্ছে জিজ্ঞেস করলে সে 'কাজে যাচ্ছি' বলে দ্রুত চলে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে এই প্রতিবেদক অভিযুক্ত নাসিমের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাননি। তবে তার বাবা আব্দুল বাকী দাবি করেন, "আমার ছেলেকে আমি দুদিন আগেই বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছি। তাছাড়া তার কাছে কোনো স্মার্টফোন নেই।"
ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত সম্পন্ন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার পরশুরাম থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমাশু কুকরুল এলাকায় জানালার কাঠের ডাশা ভেঙে ঘরের ভেতরের ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত তরুণ একই এলাকার বাসিন্দা, পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি আব্দুল বাকীর পুত্র মোঃ নাসিম মিয়া (২০)।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মফিজ আলমের পুত্র মোঃ সাব্বির হোসেন (৩০) জানান, গত ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখ (শুক্রবার) ভোর আনুমানিক ৪:২০ মিনিটে তিনি ফজরের নামাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার জন্য ঘরের দরজা খোলেন। এ সময় তিনি দেখতে পান, অভিযুক্ত নাসিম মিয়া তার শয়নকক্ষের জানালার কাঠের ডাশা ভেঙে মোবাইল ফোনে ভেতরের দৃশ্য ধারণ করছে।
সাব্বির হোসেনের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ছুটে এলে নাসিম দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাব্বির হোসেন আরও বলেন, "চিল্লাচিল্লি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলেও নাসিমকে ধরা সম্ভব হয়নি, সে পালিয়ে যায়।"
এদিকে, পালানোর সময় পাশের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের রান্নার দায়িত্বে থাকা এক পাচক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তাকে দেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। ওই পাচক জানান, তিনি নাসিমকে এত সকালে কোথায় যাচ্ছে জিজ্ঞেস করলে সে 'কাজে যাচ্ছি' বলে দ্রুত চলে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে এই প্রতিবেদক অভিযুক্ত নাসিমের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাননি। তবে তার বাবা আব্দুল বাকী দাবি করেন, "আমার ছেলেকে আমি দুদিন আগেই বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছি। তাছাড়া তার কাছে কোনো স্মার্টফোন নেই।"
ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত সম্পন্ন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন