রংপুরের প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাথরুম থেকে চিকিৎসাধীন এক রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরীর বদরগঞ্জ রোডের পীরজাদাবাদ এলাকায় অবস্থিত হাসপাতালটির সার্জারি বিভাগের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত ব্যক্তির নাম বাচ্চু মিয়া (৫৫)। তিনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দরগারপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই রাতে ডান পায়ের উরুতে ঘা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা নিয়ে তিনি প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে স্ত্রী আমিনা বেগমের সহায়তায় বাচ্চু মিয়া বাথরুমে যান এবং ওয়ার্ডে ফিরে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে একটি গামছা নিয়ে আবারও একাই বাথরুমে যান। এ সময় স্ত্রী সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি নিজেই যেতে পারবেন বলে জানান।
এর কিছুক্ষণ পর নার্স ওষুধ দিতে এসে রোগীকে না পেয়ে খোঁজ করতে বলেন। পরে স্ত্রী বাথরুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। এরপর হাসপাতালের কর্মচারীরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভেন্টিলেশনের রডের সঙ্গে গামছা পেঁচানো অবস্থায় বাচ্চু মিয়াকে ঝুলতে দেখেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি নাজমুল কাদির জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
রংপুরের প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাথরুম থেকে চিকিৎসাধীন এক রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরীর বদরগঞ্জ রোডের পীরজাদাবাদ এলাকায় অবস্থিত হাসপাতালটির সার্জারি বিভাগের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত ব্যক্তির নাম বাচ্চু মিয়া (৫৫)। তিনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দরগারপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই রাতে ডান পায়ের উরুতে ঘা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা নিয়ে তিনি প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে স্ত্রী আমিনা বেগমের সহায়তায় বাচ্চু মিয়া বাথরুমে যান এবং ওয়ার্ডে ফিরে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে একটি গামছা নিয়ে আবারও একাই বাথরুমে যান। এ সময় স্ত্রী সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি নিজেই যেতে পারবেন বলে জানান।
এর কিছুক্ষণ পর নার্স ওষুধ দিতে এসে রোগীকে না পেয়ে খোঁজ করতে বলেন। পরে স্ত্রী বাথরুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। এরপর হাসপাতালের কর্মচারীরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভেন্টিলেশনের রডের সঙ্গে গামছা পেঁচানো অবস্থায় বাচ্চু মিয়াকে ঝুলতে দেখেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি নাজমুল কাদির জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন