৫ ই আগষ্ট ২০২৪ আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার পতনের পরেও শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী কার্যালয় দখল করে যুবলীগ নেতার ফলের ব্যবসা করা নিয়ে স্হানীয় বিএনপি এবং ছাত্র জনতার মাঝে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে।
জানা যায়,বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয় টি ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে ভেঙে ফেলা হয়,ভাঙা অফিস টি তে ১৫ ই আগষ্ট শোক দিবস পালনের লক্ষ্যে ১৪ ই আগষ্ট সভা ডাকে স্হানীয় আওয়ামী লীগ, এতে ক্ষুব্ধ ছাত্র -জনতা পুনরায় অফিস টি তে ভাংচুর করেন।বাড়ৈখালী ১ নং ওয়ার্ড মৃত হায়াত আলীর পুত্র বাড়ৈখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য বশির বাবু অফিস টি তার দখলে নিয়ে বিএনপি নেতাদের চোখের সামনে বসে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।অফিস টি তে দোকান খুলে বসেছেন স্বৈরাচার আমলে একই ব্যবসা করা শাহাদাত।
তিনি সম্পর্কে বাড়ৈখালী ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোজাম্মেল হক সেন্টু র নিকটাত্মীয়।বশির বাবুর সহযোগী হিসেবে আছেন স্বৈরশাসক আমলে বিএনপি অফিসের সামনে ব্যবসা করা রফিকুল ইসলাম ওরফে মুরগী রফিক।
বিগত আওয়ামী লীগ আমলে অফিসের সামনে ফুট দখল করে ব্যবসা করে গেলেও সরকার পতনের পর সম্পূর্ণ অফিস দখলে নিয়ে শুরু করেন তার ফল ব্যবসার কার্যক্রম।উক্ত বসির আওয়ামী লীগ আমলে দাঙ্গা হাঙ্গামা,বৈশাখী পরিবহনে চাঁদাবাজীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।প্রকাশ্যে এবং ফেসবুকে আওয়ামী লীগের প্রচারনার পাশাপাশি খোদ অফিসে বসে করছেন তার ফলের ব্যবসা।বিষয় টি নিয়ে যে কোন সময় স্হানীয়দের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্হানীয়রা।
বাড়ৈখালী ইউনিয়ন যুবদল সাধারন সম্পাদক এবং বাড়ৈখালী বাজার বনিক সমিতির সদস্য সচিব খন্দকার বাবুল বলেন,বশির বাবু আওয়ামী লীগের লোক। কোন একটি মহলের সাথে লিয়াজো করে তার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
এ ব্যপারে বাড়ৈখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, আব্দুল মান্নান বলেন, তিনি (বশির বাবু) আওয়ামী লীগের লোক। জমি র মালিকানা নিয়ে মালিকদের বিরোধ আছে।
বাড়ৈখালী বাজার বনিক সমিতির আহবায়ক এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,বশির বাবু আওয়ামী লীগের লোক। সে খুনি শেখ হাসিনার পক্ষে ফেসবুকে প্রচার করে আসছে। আমি বার বার স্বৈরাচার সরকার কর্তৃক কারা নির্যাতিত হয়েছি, অথচ অনেকেই লিঁঁয়াজো করে চলছে,যা আমাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ক্ষতিকারক।
৫ ই আগষ্ট ২০২৪ আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার পতনের পরেও শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী কার্যালয় দখল করে যুবলীগ নেতার ফলের ব্যবসা করা নিয়ে স্হানীয় বিএনপি এবং ছাত্র জনতার মাঝে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে।
জানা যায়,বাড়ৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয় টি ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে ভেঙে ফেলা হয়,ভাঙা অফিস টি তে ১৫ ই আগষ্ট শোক দিবস পালনের লক্ষ্যে ১৪ ই আগষ্ট সভা ডাকে স্হানীয় আওয়ামী লীগ, এতে ক্ষুব্ধ ছাত্র -জনতা পুনরায় অফিস টি তে ভাংচুর করেন।বাড়ৈখালী ১ নং ওয়ার্ড মৃত হায়াত আলীর পুত্র বাড়ৈখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য বশির বাবু অফিস টি তার দখলে নিয়ে বিএনপি নেতাদের চোখের সামনে বসে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।অফিস টি তে দোকান খুলে বসেছেন স্বৈরাচার আমলে একই ব্যবসা করা শাহাদাত।
তিনি সম্পর্কে বাড়ৈখালী ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোজাম্মেল হক সেন্টু র নিকটাত্মীয়।বশির বাবুর সহযোগী হিসেবে আছেন স্বৈরশাসক আমলে বিএনপি অফিসের সামনে ব্যবসা করা রফিকুল ইসলাম ওরফে মুরগী রফিক।
বিগত আওয়ামী লীগ আমলে অফিসের সামনে ফুট দখল করে ব্যবসা করে গেলেও সরকার পতনের পর সম্পূর্ণ অফিস দখলে নিয়ে শুরু করেন তার ফল ব্যবসার কার্যক্রম।উক্ত বসির আওয়ামী লীগ আমলে দাঙ্গা হাঙ্গামা,বৈশাখী পরিবহনে চাঁদাবাজীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।প্রকাশ্যে এবং ফেসবুকে আওয়ামী লীগের প্রচারনার পাশাপাশি খোদ অফিসে বসে করছেন তার ফলের ব্যবসা।বিষয় টি নিয়ে যে কোন সময় স্হানীয়দের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্হানীয়রা।
বাড়ৈখালী ইউনিয়ন যুবদল সাধারন সম্পাদক এবং বাড়ৈখালী বাজার বনিক সমিতির সদস্য সচিব খন্দকার বাবুল বলেন,বশির বাবু আওয়ামী লীগের লোক। কোন একটি মহলের সাথে লিয়াজো করে তার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
এ ব্যপারে বাড়ৈখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, আব্দুল মান্নান বলেন, তিনি (বশির বাবু) আওয়ামী লীগের লোক। জমি র মালিকানা নিয়ে মালিকদের বিরোধ আছে।
বাড়ৈখালী বাজার বনিক সমিতির আহবায়ক এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,বশির বাবু আওয়ামী লীগের লোক। সে খুনি শেখ হাসিনার পক্ষে ফেসবুকে প্রচার করে আসছে। আমি বার বার স্বৈরাচার সরকার কর্তৃক কারা নির্যাতিত হয়েছি, অথচ অনেকেই লিঁঁয়াজো করে চলছে,যা আমাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ক্ষতিকারক।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন