ঢাকা। বাংলাদেশ
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মতিঝিল, মিরপুর, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় ফের সক্রিয় হয়েছে পুরনো জুয়া সিন্ডিকেট। ওয়ার্ল্ডস ক্লাব, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ আশপাশের কয়েকটি ক্লাবে গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে ‘হাই ভোল্টেজ’ জুয়ার আসর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,
“বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে কী হচ্ছে। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নিয়মিত জুয়ার বোর্ড বসে, পাশাপাশি মাদক বেচাকেনাও হয়।”
বাড্ডার জাগরণী ক্লাব এবং কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন ১১১/১ কাজী বাড়ি হোল্ডিংয়ের ‘রফিকের বোর্ড’ বর্তমানে জুয়াড়িদের অন্যতম কেন্দ্র।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটছে এসব স্থানে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত ‘মাসোহারা’র মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হয়। ফলে অভিযানের আগাম তথ্য ফাঁস হয়ে যায়।
মিরপুরের ‘কামালের বোর্ড’ নামে পরিচিত স্পটটি এখন বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবুল খালেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের আড্ডা।
এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিপথে চলে যেতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে, বাড্ডা থানার ওসি বলেন,
“এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের চোখের সামনে এসব কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া এক ধরনের প্রশ্রয়ের শামিল।
সূত্র মতে, ঢাকার আরও কয়েকটি এলাকায় এই সিন্ডিকেট সক্রিয়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও জুয়ার বিস্তার শুধু সামাজিক অবক্ষয়ই বাড়াচ্ছে না, বরং অপরাধ ও অর্থপাচারের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দ্রুত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা। বাংলাদেশ
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মতিঝিল, মিরপুর, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় ফের সক্রিয় হয়েছে পুরনো জুয়া সিন্ডিকেট। ওয়ার্ল্ডস ক্লাব, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ আশপাশের কয়েকটি ক্লাবে গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে ‘হাই ভোল্টেজ’ জুয়ার আসর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,
“বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে কী হচ্ছে। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নিয়মিত জুয়ার বোর্ড বসে, পাশাপাশি মাদক বেচাকেনাও হয়।”
বাড্ডার জাগরণী ক্লাব এবং কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন ১১১/১ কাজী বাড়ি হোল্ডিংয়ের ‘রফিকের বোর্ড’ বর্তমানে জুয়াড়িদের অন্যতম কেন্দ্র।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটছে এসব স্থানে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত ‘মাসোহারা’র মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হয়। ফলে অভিযানের আগাম তথ্য ফাঁস হয়ে যায়।
মিরপুরের ‘কামালের বোর্ড’ নামে পরিচিত স্পটটি এখন বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবুল খালেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই বসছে জুয়ার আসর ও মাদকের আড্ডা।
এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিপথে চলে যেতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে, বাড্ডা থানার ওসি বলেন,
“এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের চোখের সামনে এসব কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া এক ধরনের প্রশ্রয়ের শামিল।
সূত্র মতে, ঢাকার আরও কয়েকটি এলাকায় এই সিন্ডিকেট সক্রিয়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও জুয়ার বিস্তার শুধু সামাজিক অবক্ষয়ই বাড়াচ্ছে না, বরং অপরাধ ও অর্থপাচারের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দ্রুত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন