সীমান্ত পিলারের নামে কোটি টাকার প্রতারণা: নরসিংদী-নারায়ণগঞ্জে সক্রিয় চক্র, নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ
নিজস্ব প্রতিবেদক |ঢাকা
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, একই কৌশলে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। তারা নিজেদের প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় বলেও দাবি করেন তিনি।
নরসিংদীর মাধবদী এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় এই সিন্ডিকেটটি সাধারণ মানুষকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা প্রথমে টার্গেট ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আস্থা অর্জন করে। এরপর ব্রিটিশ আমলের বিরল ‘সীমান্ত পিলার’ বা তার অংশবিশেষের অলৌকিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষমতার গল্প শোনিয়ে কোটি টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেয়।
তবে প্রত্নতত্ত্ববিদ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এ ধরনের কোনো পিলারের বিশেষ বৈজ্ঞানিক বা আর্থিক মূল্য নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি প্রতারণার ফাঁদ।
ভুক্তভোগী জানান, ‘ম্যাগনেটিক বোতল’ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ধাপে তার কাছ থেকে মোট ১৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা বা পণ্য কিছুই পাননি তিনি।
উল্টো টাকা ফেরত চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এতে তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও অনুসন্ধানে চক্রের তিন সদস্যের পরিচয় পাওয়া গেছে—
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ‘ম্যাগনেটিক সীমান্ত পিলার’ সংক্রান্ত কোনো অলৌকিক ঘটনার বাস্তবতা নেই—এটি পুরনো প্রতারণার কৌশল।
অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়রা অনেক সময় মুখ খুলতে ভয় পায়।
ভুক্তভোগী তার আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার এবং এই প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এ ধরনের প্রতারণায় আরও অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সীমান্ত পিলারের নামে কোটি টাকার প্রতারণা: নরসিংদী-নারায়ণগঞ্জে সক্রিয় চক্র, নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ
নিজস্ব প্রতিবেদক |ঢাকা
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, একই কৌশলে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি। তারা নিজেদের প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় বলেও দাবি করেন তিনি।
নরসিংদীর মাধবদী এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এলাকাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় এই সিন্ডিকেটটি সাধারণ মানুষকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা প্রথমে টার্গেট ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আস্থা অর্জন করে। এরপর ব্রিটিশ আমলের বিরল ‘সীমান্ত পিলার’ বা তার অংশবিশেষের অলৌকিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষমতার গল্প শোনিয়ে কোটি টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেয়।
তবে প্রত্নতত্ত্ববিদ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এ ধরনের কোনো পিলারের বিশেষ বৈজ্ঞানিক বা আর্থিক মূল্য নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি প্রতারণার ফাঁদ।
ভুক্তভোগী জানান, ‘ম্যাগনেটিক বোতল’ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ধাপে তার কাছ থেকে মোট ১৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা বা পণ্য কিছুই পাননি তিনি।
উল্টো টাকা ফেরত চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এতে তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও অনুসন্ধানে চক্রের তিন সদস্যের পরিচয় পাওয়া গেছে—
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ‘ম্যাগনেটিক সীমান্ত পিলার’ সংক্রান্ত কোনো অলৌকিক ঘটনার বাস্তবতা নেই—এটি পুরনো প্রতারণার কৌশল।
অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়রা অনেক সময় মুখ খুলতে ভয় পায়।
ভুক্তভোগী তার আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার এবং এই প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এ ধরনের প্রতারণায় আরও অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন