টঙ্গীর ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার
গাজীপুর মহানগর টঙ্গীর ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হয়েছে।
টঙ্গীর পূর্ব থানার মামলা নং ৩০ এর প্রধান আসামী মোঃ আব্দুল জাহির(৩৫)কে গত ১১/০৪/২৫ তারিখে তার বোনের বাড়ী রহমতপুর, থানা-ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ হতে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আসামী সিলেট জেলা উসমানিনগর থানার পশ্চিম রোকনপুর গ্রামের মোঃ ফারুকের ছেলে। গত ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ ৩০২/৩৪ ধারা পেনাল কোডে আসামীর বিরুদ্ধে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার এস আই আবুল হোসেন গত ১১/০৪/২৫ তারিখে আসামীর বোনের বাড়ী রহমতপুর, থানা-ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ হতে গ্রেফতার করে। উক্ত আসামী বিজ্ঞ আদালতে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তীমুলক জবানবন্দি দেয়।
মামলার সূত্রে জানা যায় যে, মামলার ভিকটিম মোছাঃ নারগিস আক্তার (২৪) পিতা-মোঃ সামসুদ্দিন, মাতা-হেলেনা বেগম, গ্রাম- ভাটি শাফেলা, পোষ্ট -গৌররং, থানা-সুনামগঞ্জ সদর, জেলা-সুনামগঞ্জ, বর্তমানে-পাগাড় পাঠান পাড়া আফতাব এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-টঙ্গীপূর্ব, গাজীপুর এর ঠিকানায় তার স্বামী মোঃ আব্দুল জাহির (৩৫) একসাথে বসবাস করত। ভিকটিম নারগিস আক্তার পাগাড় দাদা গার্মেন্টসে চাকুরী করত।
গত ১৬/০২/২০২৫ইং তারিখ রাত অনুমান ১০ টা হতে ২০/০২/২০২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ২ টার মধ্যবর্তী যে কোন সময় ভিকটিম নারগিস (২৪) কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঘরের মধ্যে রেখে আসামী পালিয়ে যায় । পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং সোর্স নিয়োগ করে চৌকস পুলিশ অফিসার এস আই আবুল হোসেন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষন হন। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী জাহিরকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
টঙ্গীর ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৫
গাজীপুর মহানগর টঙ্গীর ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হয়েছে।
টঙ্গীর পূর্ব থানার মামলা নং ৩০ এর প্রধান আসামী মোঃ আব্দুল জাহির(৩৫)কে গত ১১/০৪/২৫ তারিখে তার বোনের বাড়ী রহমতপুর, থানা-ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ হতে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আসামী সিলেট জেলা উসমানিনগর থানার পশ্চিম রোকনপুর গ্রামের মোঃ ফারুকের ছেলে। গত ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ ৩০২/৩৪ ধারা পেনাল কোডে আসামীর বিরুদ্ধে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার এস আই আবুল হোসেন গত ১১/০৪/২৫ তারিখে আসামীর বোনের বাড়ী রহমতপুর, থানা-ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ হতে গ্রেফতার করে। উক্ত আসামী বিজ্ঞ আদালতে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তীমুলক জবানবন্দি দেয়।
মামলার সূত্রে জানা যায় যে, মামলার ভিকটিম মোছাঃ নারগিস আক্তার (২৪) পিতা-মোঃ সামসুদ্দিন, মাতা-হেলেনা বেগম, গ্রাম- ভাটি শাফেলা, পোষ্ট -গৌররং, থানা-সুনামগঞ্জ সদর, জেলা-সুনামগঞ্জ, বর্তমানে-পাগাড় পাঠান পাড়া আফতাব এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-টঙ্গীপূর্ব, গাজীপুর এর ঠিকানায় তার স্বামী মোঃ আব্দুল জাহির (৩৫) একসাথে বসবাস করত। ভিকটিম নারগিস আক্তার পাগাড় দাদা গার্মেন্টসে চাকুরী করত।
গত ১৬/০২/২০২৫ইং তারিখ রাত অনুমান ১০ টা হতে ২০/০২/২০২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ২ টার মধ্যবর্তী যে কোন সময় ভিকটিম নারগিস (২৪) কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঘরের মধ্যে রেখে আসামী পালিয়ে যায় । পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং সোর্স নিয়োগ করে চৌকস পুলিশ অফিসার এস আই আবুল হোসেন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষন হন। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন ক্লুলেন্স হত্যা মামলার আসামী জাহিরকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন