রাজধানীর আদাবর শেখেরটেক এলাকার একটি বাসায় জুলাই আন্দোলনের শহীদ জসীমউদ্দীনের মেয়ে লামিয়া (২২) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তার লাশ পায়।
এর আগে লামিয়াকে অচেতন অবস্থায় তার পরিবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক পরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক অবস্থায় এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম জাকারিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লামিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রাজধানীর শেখেরটেক এলাকায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন তিনি। লামিয়ার বাবা জসীমউদ্দীন জুলাই আন্দোলনের শহীদ।
ওসি আরও জানান, পটুয়াখালীতে একটি ছেলের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন লামিয়া। এ ঘটনায় সেখানে একটি মামলাও হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে লামিয়া মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, হতাশা থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
তবে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রাজধানীর আদাবর শেখেরটেক এলাকার একটি বাসায় জুলাই আন্দোলনের শহীদ জসীমউদ্দীনের মেয়ে লামিয়া (২২) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তার লাশ পায়।
এর আগে লামিয়াকে অচেতন অবস্থায় তার পরিবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক পরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক অবস্থায় এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম জাকারিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লামিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রাজধানীর শেখেরটেক এলাকায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন তিনি। লামিয়ার বাবা জসীমউদ্দীন জুলাই আন্দোলনের শহীদ।
ওসি আরও জানান, পটুয়াখালীতে একটি ছেলের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন লামিয়া। এ ঘটনায় সেখানে একটি মামলাও হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে লামিয়া মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, হতাশা থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
তবে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন