খিলক্ষেতে অটোরিকশা থেকে মাসে ৩৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: নেতৃত্বে 'সমাজ' ও আফজাল চক্র
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় ইজিবাইক মালিক কল্যাণ সমিতির নামে মাসে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মহোৎসব চলছে। অভিযোগ রয়েছে, সাইদুর রহমান সমাজ ও আফজাল হোসেন ওরফে মোক্তার নামে দুই ব্যক্তি এই চক্রের মূল হোতা।চাঁদাবাজির মাধ্যমে আদায়কৃত টাকা নিয়মিতভাবে চলে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের পকেটে, ফলে যানজট নিরসন বা শৃঙ্খলা ফেরাতে নেই কোনো কার্যকরী উদ্যোগ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এই আফজাল হোসেন মোক্তার খিলক্ষেত থানা ১৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একজন মাদকসেবী।খিলক্ষেত থানায় তার মাদকের মামলা চলমান রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।এদিকে খিলক্ষেত থানা এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি অটোরিকশা চলাচল করে। এসব গাড়ির মালিক ও চালকদের কাছ থেকে মাসিক ‘স্টিকার ফি’র নামে ৬০০ টাকা করে আদায় করা হয়। স্টিকার ছাড়া গাড়ি চলাচল করলে লাইনম্যানরা আটকে দেয় গাড়ি ও মোবাইল ফোন, এমনকি চালকদের শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়।চাঁদাবাজির এ টাকা খিলক্ষেত ছাড়াও ইছাপুরা, নীলা মার্কেট, পূর্বাচল, কাঞ্চন, হরদি বাজার, আশকোনা, কাওলা, এয়ারপোর্ট ও দক্ষিণখান এলাকার অটোরিকশাগুলো থেকেও নিয়মিতভাবে আদায় করা হয়। স্থানীয় লাইনম্যানরা মান্নান প্লাজা, খাপাড়া রোড এবং বটতলা মোড়ে অবস্থান নিয়ে স্টিকার বিহীন গাড়িগুলোর ওপর দৌরাত্ম্য চালায়।
ভুক্তভোগী চালকরা জানান, চাঁদার টাকা না দিলে গাড়ি আটকে ফেলা, মোবাইল কেড়ে নেওয়া কিংবা মারধর করা এখন নিয়মিত ঘটনা। আগে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে টাকা পৌঁছাতো, আর বর্তমানে বিএনপির নামধারী কথিত নেতাদের পকেটে ঢুকছে গরিব চালকদের ঘাম ঝরানো উপার্জন।ইতিপূর্বে বরুয়া ব্যাংকের মোড়ে এক চালককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা সহ নির্যাতনে কান পর্যন্ত ছিঁড়ে নেয়ার ঘটনাও রয়েছে রেকর্ডে। থানায় অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসনের নীরবতা চাঁদাবাজদের বেপরোয়া করে তুলেছে দিনের পর দিন।
খিলক্ষেতবাসীর দাবি, এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট এখনই দমন না করলে এলাকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। অবিলম্বে ‘সমাজ ও আফজাল বাহিনী’সহ সকল চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খিলক্ষেত এলাকায় ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি তুলেছে সাধারণ জনগণ।
খিলক্ষেতে অটোরিকশা থেকে মাসে ৩৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: নেতৃত্বে 'সমাজ' ও আফজাল চক্র
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৫
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় ইজিবাইক মালিক কল্যাণ সমিতির নামে মাসে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মহোৎসব চলছে। অভিযোগ রয়েছে, সাইদুর রহমান সমাজ ও আফজাল হোসেন ওরফে মোক্তার নামে দুই ব্যক্তি এই চক্রের মূল হোতা।চাঁদাবাজির মাধ্যমে আদায়কৃত টাকা নিয়মিতভাবে চলে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের পকেটে, ফলে যানজট নিরসন বা শৃঙ্খলা ফেরাতে নেই কোনো কার্যকরী উদ্যোগ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এই আফজাল হোসেন মোক্তার খিলক্ষেত থানা ১৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একজন মাদকসেবী।খিলক্ষেত থানায় তার মাদকের মামলা চলমান রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।এদিকে খিলক্ষেত থানা এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি অটোরিকশা চলাচল করে। এসব গাড়ির মালিক ও চালকদের কাছ থেকে মাসিক ‘স্টিকার ফি’র নামে ৬০০ টাকা করে আদায় করা হয়। স্টিকার ছাড়া গাড়ি চলাচল করলে লাইনম্যানরা আটকে দেয় গাড়ি ও মোবাইল ফোন, এমনকি চালকদের শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়।চাঁদাবাজির এ টাকা খিলক্ষেত ছাড়াও ইছাপুরা, নীলা মার্কেট, পূর্বাচল, কাঞ্চন, হরদি বাজার, আশকোনা, কাওলা, এয়ারপোর্ট ও দক্ষিণখান এলাকার অটোরিকশাগুলো থেকেও নিয়মিতভাবে আদায় করা হয়। স্থানীয় লাইনম্যানরা মান্নান প্লাজা, খাপাড়া রোড এবং বটতলা মোড়ে অবস্থান নিয়ে স্টিকার বিহীন গাড়িগুলোর ওপর দৌরাত্ম্য চালায়।
ভুক্তভোগী চালকরা জানান, চাঁদার টাকা না দিলে গাড়ি আটকে ফেলা, মোবাইল কেড়ে নেওয়া কিংবা মারধর করা এখন নিয়মিত ঘটনা। আগে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে টাকা পৌঁছাতো, আর বর্তমানে বিএনপির নামধারী কথিত নেতাদের পকেটে ঢুকছে গরিব চালকদের ঘাম ঝরানো উপার্জন।ইতিপূর্বে বরুয়া ব্যাংকের মোড়ে এক চালককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা সহ নির্যাতনে কান পর্যন্ত ছিঁড়ে নেয়ার ঘটনাও রয়েছে রেকর্ডে। থানায় অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসনের নীরবতা চাঁদাবাজদের বেপরোয়া করে তুলেছে দিনের পর দিন।
খিলক্ষেতবাসীর দাবি, এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট এখনই দমন না করলে এলাকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। অবিলম্বে ‘সমাজ ও আফজাল বাহিনী’সহ সকল চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খিলক্ষেত এলাকায় ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি তুলেছে সাধারণ জনগণ।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন