ডুমনি টেকপাড়া ও বরুয়া মোল্লাপাড়া,এই দুই পাড়ায় বসবাসরত নারীপুরুষ সবাই কমবেশি মাদক ব্যাবসায় জড়িত।রাজধানী খিলক্ষেত থানা এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় ধরে এই দুই পাড়ার ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যাবসায়ীক অবস্থান শীর্ষে ধরে রেখেছে। ডজনেরও বেশি কারো কারো নামে মামলা থাকা সত্ত্বেও এই মাদক ব্যবসা করেই ঢাকা শহরে জায়গা কিনে,বাড়ী-গাড়ি করে আরাম আয়েশি দিন যাপন করছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মোল্লাপাড়ায় অবস্থিত বরুয়া কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের পবিত্রতা উপেক্ষা করেই এখানে গড়ে উঠেছে মাদকের শক্ত ঘাটি। আর এই ঘাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাহেলা,সঞ্জু ও রহিমা নামের প্রধান তিন নারী মাদক সম্রাজ্ঞী। একেক জনের নামে মাদকের একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও বিগত ১২/১৩ বছর থেকে এখানে মাদক ব্যবসা রীতিমতো পারিবারিক ব্যাবসায় পরিণত হয়েছে।
এলাকার ব্যাংকের মোড়,বড়-বরুয়া ও সিলন পাড়ায় রয়েছে মাদকের আরো তিন স্পট।এই স্পট গুলোতে বেশিরভাগ দেশি চোলাই মদ বিক্রি হয়। খোকন ওরফে পংখী, দ্বীন ইসলাম, রমিজা,জামাই ও ফকিরের বউয়ের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এই স্পটগুলো।
এদিকে ডুমনী টেকপাড়া ভয়ংকর ও বিপদজ্জনক মাদকের ঘাটি হিসেবে পরিচিত আরো এক যুগ আগেই।বর্তমানে তিনজন নারীসহ তালিকাভুক্ত সাত জন মাদক ব্যাবসায়ীর নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এই টেকপাড়ার ঘাটি।এখান থেকে পার্শবর্তী বসুন্ধরা আবাসিক,ভাটারা, গুলশান সহ অভিজাত এলাকায় চাহিদামত গাজা,হেরোইন,ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা করম্রা হয়। রিমা,স্বপন,সুজন,,দ্বীন ইসলাম,জাইদুল,সজীব,আলম ও রুনা, তালিকাভুক্ত মাদকের এই শীর্ষ ব্যাবসায়ীদেরও একেক জনের নামে রয়েছে অসংখ্য মাদকের মামলা।
ডুমনি ও বরুয়া এলাকার সচেতন নাগরিকরা মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, এই মাদক সিন্ডিকেটকে দ্রুত ভেঙে ফেলা হোক এবং সমাজকে রক্ষা করা হোক।
মাদক ব্যবসার এই অবাধ বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, খিলক্ষেতের কিশোর থেকে শুরু করে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।
ডুমনি টেকপাড়া ও বরুয়া মোল্লাপাড়া,এই দুই পাড়ায় বসবাসরত নারীপুরুষ সবাই কমবেশি মাদক ব্যাবসায় জড়িত।রাজধানী খিলক্ষেত থানা এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় ধরে এই দুই পাড়ার ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যাবসায়ীক অবস্থান শীর্ষে ধরে রেখেছে। ডজনেরও বেশি কারো কারো নামে মামলা থাকা সত্ত্বেও এই মাদক ব্যবসা করেই ঢাকা শহরে জায়গা কিনে,বাড়ী-গাড়ি করে আরাম আয়েশি দিন যাপন করছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মোল্লাপাড়ায় অবস্থিত বরুয়া কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের পবিত্রতা উপেক্ষা করেই এখানে গড়ে উঠেছে মাদকের শক্ত ঘাটি। আর এই ঘাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাহেলা,সঞ্জু ও রহিমা নামের প্রধান তিন নারী মাদক সম্রাজ্ঞী। একেক জনের নামে মাদকের একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও বিগত ১২/১৩ বছর থেকে এখানে মাদক ব্যবসা রীতিমতো পারিবারিক ব্যাবসায় পরিণত হয়েছে।
এলাকার ব্যাংকের মোড়,বড়-বরুয়া ও সিলন পাড়ায় রয়েছে মাদকের আরো তিন স্পট।এই স্পট গুলোতে বেশিরভাগ দেশি চোলাই মদ বিক্রি হয়। খোকন ওরফে পংখী, দ্বীন ইসলাম, রমিজা,জামাই ও ফকিরের বউয়ের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এই স্পটগুলো।
এদিকে ডুমনী টেকপাড়া ভয়ংকর ও বিপদজ্জনক মাদকের ঘাটি হিসেবে পরিচিত আরো এক যুগ আগেই।বর্তমানে তিনজন নারীসহ তালিকাভুক্ত সাত জন মাদক ব্যাবসায়ীর নিয়ন্ত্রনে রয়েছে এই টেকপাড়ার ঘাটি।এখান থেকে পার্শবর্তী বসুন্ধরা আবাসিক,ভাটারা, গুলশান সহ অভিজাত এলাকায় চাহিদামত গাজা,হেরোইন,ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা করম্রা হয়। রিমা,স্বপন,সুজন,,দ্বীন ইসলাম,জাইদুল,সজীব,আলম ও রুনা, তালিকাভুক্ত মাদকের এই শীর্ষ ব্যাবসায়ীদেরও একেক জনের নামে রয়েছে অসংখ্য মাদকের মামলা।
ডুমনি ও বরুয়া এলাকার সচেতন নাগরিকরা মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, এই মাদক সিন্ডিকেটকে দ্রুত ভেঙে ফেলা হোক এবং সমাজকে রক্ষা করা হোক।
মাদক ব্যবসার এই অবাধ বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, খিলক্ষেতের কিশোর থেকে শুরু করে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন