এদিকে আয়োজিত মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ৪৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল আমিন ২০১৬ সালে তার নিজ দোকান থেকে ইয়াবাসহ আটক হয়ে প্রায় ৫ মাস জেল খাটে। ৫ আগস্টের পর সে বিএনপির পদ ব্যবহার করে এলাকার নতুন বিল্ডিংয়ের মালামাল সাপ্লাইসহ ময়লা ও ডিস-ইন্টারনেটের দখল নেয় । সিনিয়র নেতাদের আশীর্বাদ নিয়েই আল আমিন সরকার এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলেও মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত আল আমিনের বিষয়ে সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদার বলেন, সে খুব উগ্রপ্রকৃতির লোক। তার ভাই মইম কিশোরগ্যাংয়ের সক্রিয় লিডার। এর আগে মিরপুরে এক প্রোগ্রামে গিয়ে মারামারি করার কারণে দল থেকে বহিষ্কার হয় আল আমিন। পরে থানার এক শীর্ষ নেতার বিশেষ অনুগ্রহে পদ ফিরিয়ে দেন নগর নেতারা। তিনি আরো বলেন, যেহেতু দীর্ঘদিন এ এলাকায় বসবাস করি; তাই বিভিন্নভাবে খবর আসে থানার সেই শীর্ষ নেতা বিএনপির নামে দক্ষিণখানে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে। এসব বাহিনীর দ্বারা কোটি টাকার চাঁদার নিয়ন্ত্রণসহ সবকিছু তার ইশারায় চালানোর জন্যই মাদক মামলার আসামিকে বিএনপির পদ পাইয়ে দেয়া হয়েছে। হুমকির বিষয়ে সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদার বলেন, নিউজ প্রকাশ এবং সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দেয়ার কারণেই তারা আমাকে মবের মাধ্যমে মারার হুমকি দিচ্ছে। আমি ফ্যাসিস্ট আমলে দুইবার উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। ক্লাবের নেতৃত্বে থাকায় বিএনপি-আ.লীগ ও জামায়াতসহ সবধরনের লোকের সাথে উঠাবসা করতে হয়েছে। এটা নতুন কিছু না। জুলাই আন্দোলনে পুলিশ আমাকে উত্তরা থেকে ধরেও নিয়ে গেছে। অথচ, মাদক ব্যবসায়ীরা আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। মানববন্ধনে উপস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতা ও বাসস সাংবাদিক ইসমাইল আহসান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে মেরে ফেলার যে হুমকি দেয়া হয়েছে তা ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি। এটা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি বলেন, যেকোন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানানো যেতে পারে। কিন্তু হুমকি-ধামকি দিয়ে সাংবাদিকদের কন্ঠরোধ কোনো ভাল সংস্কৃতি হতে পারে না। আমরা এ ধরণের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। বক্তব্যে উত্তরা প্রেসক্লাবের সদস্য ফরিদ আহমেদ নয়ন বলেন, আমরা সাংবাদিক আমাদের কলম চলবে। যারা আমাদেরকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায় তাদেরকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে হুমকি দেয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে একজন সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি নতুন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর। আমরা বলতে চাই যারা অন্যায়ভাবে উত্তরার সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে মারার হুমকি ও তার নামে অপতথ্য ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দল থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জাতীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির ডাক আসবে। এ সময় তিনি সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে হুমকি দেয়া ওই বিএনপি নেতাসহ তার সহযোগীদের শাস্তির দাবি জানান। আয়োজিত মানববন্ধনে উত্তরায় বসবাসরত প্রায় শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।জানা যায়, সম্প্রতি দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় বিএনপি নেতা আল আমিন সরকারের বিরুদ্ধে নাহিদ নামের এক প্রতিবন্ধী যুবক তার পরিচালিত ইট-পাথরের ব্যবসা দখলের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেন। বিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদটি ফেসবুক একাউন্টে শেয়ার দেন উত্তরা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। আর এতেই মব সৃষ্টি করে ওই সাংবাদিককে মেরে ফেলার অডিও পাঠায় অভিযুক্ত বিএনপি আল আমিন সরকার ও তার অনুসারীরা। সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া একাউন্ট থেকেও সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারের বিরুদ্ধে নানা অপতথ্য ছড়ায় চক্রের সদস্যরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৫
এদিকে আয়োজিত মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ৪৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল আমিন ২০১৬ সালে তার নিজ দোকান থেকে ইয়াবাসহ আটক হয়ে প্রায় ৫ মাস জেল খাটে। ৫ আগস্টের পর সে বিএনপির পদ ব্যবহার করে এলাকার নতুন বিল্ডিংয়ের মালামাল সাপ্লাইসহ ময়লা ও ডিস-ইন্টারনেটের দখল নেয় । সিনিয়র নেতাদের আশীর্বাদ নিয়েই আল আমিন সরকার এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলেও মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত আল আমিনের বিষয়ে সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদার বলেন, সে খুব উগ্রপ্রকৃতির লোক। তার ভাই মইম কিশোরগ্যাংয়ের সক্রিয় লিডার। এর আগে মিরপুরে এক প্রোগ্রামে গিয়ে মারামারি করার কারণে দল থেকে বহিষ্কার হয় আল আমিন। পরে থানার এক শীর্ষ নেতার বিশেষ অনুগ্রহে পদ ফিরিয়ে দেন নগর নেতারা। তিনি আরো বলেন, যেহেতু দীর্ঘদিন এ এলাকায় বসবাস করি; তাই বিভিন্নভাবে খবর আসে থানার সেই শীর্ষ নেতা বিএনপির নামে দক্ষিণখানে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে। এসব বাহিনীর দ্বারা কোটি টাকার চাঁদার নিয়ন্ত্রণসহ সবকিছু তার ইশারায় চালানোর জন্যই মাদক মামলার আসামিকে বিএনপির পদ পাইয়ে দেয়া হয়েছে। হুমকির বিষয়ে সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদার বলেন, নিউজ প্রকাশ এবং সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দেয়ার কারণেই তারা আমাকে মবের মাধ্যমে মারার হুমকি দিচ্ছে। আমি ফ্যাসিস্ট আমলে দুইবার উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। ক্লাবের নেতৃত্বে থাকায় বিএনপি-আ.লীগ ও জামায়াতসহ সবধরনের লোকের সাথে উঠাবসা করতে হয়েছে। এটা নতুন কিছু না। জুলাই আন্দোলনে পুলিশ আমাকে উত্তরা থেকে ধরেও নিয়ে গেছে। অথচ, মাদক ব্যবসায়ীরা আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। মানববন্ধনে উপস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতা ও বাসস সাংবাদিক ইসমাইল আহসান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে মেরে ফেলার যে হুমকি দেয়া হয়েছে তা ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি। এটা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি বলেন, যেকোন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানানো যেতে পারে। কিন্তু হুমকি-ধামকি দিয়ে সাংবাদিকদের কন্ঠরোধ কোনো ভাল সংস্কৃতি হতে পারে না। আমরা এ ধরণের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। বক্তব্যে উত্তরা প্রেসক্লাবের সদস্য ফরিদ আহমেদ নয়ন বলেন, আমরা সাংবাদিক আমাদের কলম চলবে। যারা আমাদেরকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায় তাদেরকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে হুমকি দেয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উত্তরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে একজন সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি নতুন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর। আমরা বলতে চাই যারা অন্যায়ভাবে উত্তরার সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে মারার হুমকি ও তার নামে অপতথ্য ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দল থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জাতীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির ডাক আসবে। এ সময় তিনি সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারকে হুমকি দেয়া ওই বিএনপি নেতাসহ তার সহযোগীদের শাস্তির দাবি জানান। আয়োজিত মানববন্ধনে উত্তরায় বসবাসরত প্রায় শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।জানা যায়, সম্প্রতি দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় বিএনপি নেতা আল আমিন সরকারের বিরুদ্ধে নাহিদ নামের এক প্রতিবন্ধী যুবক তার পরিচালিত ইট-পাথরের ব্যবসা দখলের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেন। বিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদটি ফেসবুক একাউন্টে শেয়ার দেন উত্তরা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার। আর এতেই মব সৃষ্টি করে ওই সাংবাদিককে মেরে ফেলার অডিও পাঠায় অভিযুক্ত বিএনপি আল আমিন সরকার ও তার অনুসারীরা। সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া একাউন্ট থেকেও সাংবাদিক বদরুল আলম মজুমদারের বিরুদ্ধে নানা অপতথ্য ছড়ায় চক্রের সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন